kalerkantho


আমাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে হেলিকপ্টার কম্পানি : মুসা ইব্রাহীম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুন, ২০১৭ ১৪:৫৭



আমাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে হেলিকপ্টার কম্পানি : মুসা ইব্রাহীম

ইন্দোনেশিয়ার ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট কার্সটেঞ্জ পিরামিডের চূড়া থেকে ফেসবুক লাইভে মুসা ইব্রাহিম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

দেশের জন্য আরও একটি গৌরবের মুহূর্ত এনে দিলেন এভারেস্টজয়ী মুসা ইব্রাহিম। এবার ইন্দোনেশিয়ার ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট কার্সটেঞ্জ পিরামিডে উড়ল বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।

ফেসবুক লাইভে এসে দেশবাসী সহ পৃথিবীবাসীকে জানিয়ে দিলেন সেই বিজয়ের কথা। আজ সোমবার সেই আনন্দ সংবাদ দেওয়ার পরপরই নিজের ফেসবুক আইডিতে আরও একটি পোস্ট দেন মুসা। যেটি নিঃসন্দেহে দুশ্চিন্তার বিষয়। মুসা ইব্রাহিমের ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো।


আমাদের পাসপোর্ট অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করে গৃহবন্দি করে রেখেছে তিমিকা'র হেলিকপ্টার কম্পানি এশিয়াওয়ান (AsiaOne)। উদ্ধার পেয়েছি বেস ক্যাম্প থেকে, কিন্তু উদ্ধার হচ্ছে না হেলি কম্পানির হাত থেকে। অ্যাডভেঞ্চার কিন্তু এখনও শেষ হয়নি।

যে হেলিকপ্টার কম্পানি এশিয়াওয়ান আমাদের বেস ক্যাম্প থেকে নিয়ে এসেছে, তারা আমাদের পাসপোর্ট অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করে গৃহবন্দী করে রেখেছে। তাদের দাবি, তাদেরকে ৩ বার তিমিকা থেকে বেস ক্যাম্প পর্যন্ত ফ্লাই করার খরচ দিতে হবে। যার পরিমাণ ১১০০০ ইউএস ডলার। কিন্তু গতকাল রবিবার তারা নিজেরাই দেরি করে সকাল ১০টায় বেস ক্যাম্পের দিকে গিয়েছিল। ততক্ষণে আবহাওয়া খারাপ হয়ে গিয়ে হেলিকপ্টার ফিরে এসেছে তিমিকায়।  যা কি না পুরোটাই হেলিকপ্টার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। কারণ আমরা সকাল ৬টা থেকে প্রস্তুত ছিলাম।

আজ সোমবার তারা সকালে আমাদের বেস ক্যাম্পের পাশের একটা জায়গা থেকে প্রথমবার গিয়ে ফিরে আসে। আমরা দেখতে পেয়েছিলাম হেলিকপ্টার, কিন্তু তারা প্রথমবার উদ্ধার না করেই ফিরে আসে। দ্বিতীয়বার আমরা পতাকা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম যেন হেলিকপ্টার দেখা মাত্রই তা উড়িয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি এবং তা করেছি। এখন হেলিকপ্টার কম্পানির কথা হলো, তাদেরকে পুরো তিনবারের টাকা দিতে হবে।

আমরা Satyarup Siddhanta (সত্যরুপ সিদ্ধান্ত), Nandita Cn (নন্দিতা সিএন) এবং আমি ৮ হাজার ডলার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছি এবং সে মোতাবেক Franky Kowaas এর প্রতিষ্ঠান মানােডা অ্যাডভেঞ্চারকে টাকা দেয়ার প্রক্রিয়া সত্যরূপ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হেলিকপ্টার কম্পানি এশিয়াওয়ানের জ্যাকবের (ফোন নাম্বার +628122312558) দাবি তাদের পুরো টাকাটা (১১ হাজার ডলার) দিতে হবে।

চিন্তা করছি যে, ফিরতে পারব তো দেশে???


মন্তব্য