kalerkantho


বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও ভারত কাজ করছে : শিল্পমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ১৬:৩০



বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও ভারত কাজ করছে : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ঐতিহাসিক বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্কের ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ দিন দিন বাড়ছে। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এর ফলে দিন দিন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র বের হয়ে আসছে।

গতকাল শনিবার রাতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী কির্লোস্কার ব্রান্ডের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জ্বালানি সাশ্রয়ী ডিজেল জেনারেটর ‘৩০০০০ এইচএইচপি জেনসেটস’-এর বাজারজাতকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর রেডিসন হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়লেও দু’দেশের মধ্যে বর্তমানে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৫৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ বাণিজ্য ভারতের অনুকূলে রয়েছে। বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলায় দু’দেশের সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে ২৫টি আইটেম ছাড়া বাংলাদেশি সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশও ভারতীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আমির হোসেন আমু বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য ভারতে পুনরায় রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তিনি এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দু’দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জোরদারে অবদান রাখতে উভয় দেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কির্লোস্কার কোম্পানির যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর.আর. দেশপান্ডে, ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব নীমকার, এনআরবিসি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফরাসাত আলী, কোম্পানির বাংলাদেশ পরিবেশক ও ম্যাগপাই ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুস সালেক।

উল্লেখ্য, কির্লোস্কার ব্রান্ড বর্তমানে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ডিজেল জেনারেটর। শব্দ দূষণমুক্ত এ জেনারেটরের গুণগতমান ইউরোপিয়ান জেনারেটরের অনুরূপ। এটি স্বয়ংক্রিয় রিমোট মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এ জেনারেটর স্থাপনে জায়গা কম লাগে এবং এটি বিশ্বের যে কোনো ব্র্যান্ডের জেনারেটরের চেয়ে শতকরা ২০ ভাগ জ্বালানি সাশ্রয়ী। এটি ব্যবহারের ফলে বছরে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে বলে কির্লোস্কারের পক্ষ থেকে তথ্য তুলে ধরা হয়।


মন্তব্য