kalerkantho


'তাঁতশিল্পের প্রসারে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ১৫:৫৭



'তাঁতশিল্পের প্রসারে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার'

তাঁতশিল্পকে আরও আধুনিক ও বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই শিল্পের প্রসারে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপই তার সরকার নেবে। আজ রবিবার রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ তাঁতী লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মসলিনের ওপর চার ইঞ্চি জরির কাজ করতে পুরোটা দিন লেগে যায়। ... এই যে তারা মনোযোগ দিয়ে একটি বস্ত্র তৈরি করছেন এটাও তো একটি অত্যন্ত উন্নতমানের শিল্প। কাজেই এটাকে আরো বেশি সহযোগিতা করার জন্য আমাদের সরকার সব সময় প্রস্তুত এবং আমরা তা করে যাব।

তিনি বলেন, এই শিল্প যেন আরো উন্নত হয়, সম্প্রসারিত হয়, সেদিকেই আমরা নজর দিচ্ছি।

তাঁত বোর্ডকে ডিজিটাইজড করার ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে আমরা একটা টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ও দেশে প্রতিষ্ঠা করেছি।

তাঁতশিল্পের উন্নয়নকে কিভাবে আরো সম্প্রসারিত করা যায় সেটাই তার সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের তাঁতীদের মেধা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁতের শাড়ি আমরা ব্যবহার করি। তবে আমার মনে হয় আমাদের ছেলেমেয়েরাও এই তাঁতীদের তৈরি কাপড় ব্যবহার করতে পারে। এই শাড়ি দেখতেও সুন্দর।

 

তার সন্তান-সন্ততিদের তিনি খদ্দরের কাপড় কিনে দেন এবং সবাই সেটা পড়ে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের তাঁতশিল্পের কাপড় শুধু পরিধান নয়, গৃহে নানামুখী কাজে এর ব্যবহারেরও সুযোগ রয়েছে। আমি আশা করব সকলে সেদিকে নজর দেবেন। কাজেই এই তাঁতশিল্পকে আমরা আরো উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী করতে চাই। সেদিকে আমাদের দৃষ্টি রয়েছে এবং এ জন্য যা যা করণীয় আমরা তা করব।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তাঁতী লীগের আহ্বায়ক এনায়েতুর রহমান চৌধুরী। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ তাঁতী লীগের যুগ্ম আহ‌্বায়ক সাধনা দাস গুপ্তা। প্রথম যুগ্ম আহ‌্বায়ক খগেন চন্দ্র দেবনাথ সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন। শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. শওকত আলী।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। তিনি সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, ডেলিগেট, কাউন্সিলর ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্ব শেষে ৩টা পর্যন্ত সম্মেলন মূলতবি করা হয়।


মন্তব্য