kalerkantho


অগ্নিঝরা মার্চ : সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইয়াহিয়ার বৈঠক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ০৯:৪৯



অগ্নিঝরা মার্চ : সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইয়াহিয়ার বৈঠক

সংগ্রাম সংগ্রাম সংগ্রাম/ চলবেই দিনরাত অবিরাম এ রকম অনেক উদ্দীপনামূলক গান টিভিতে প্রচারিত হচ্ছে মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে। পাকিস্তানের উর্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান। একাত্তরের ১৭ মার্চ ছিল বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫২তম জন্মদিন। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সমাজের সর্বস্তরের মানুষ মিছিল করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসভবনে গিয়ে তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। সেদিন দুপুরে ধানমন্ডিরর বাসভবনে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসা স্বাধীনতাকামী বাঙালীর উদ্দেশে জন্মদিনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- আমার জীবনের সবচেয়ে বড় কামনা জনগণের সার্বিক মুক্তি।

সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দ্বিতীয় দফা বৈঠকে মিলিত হন পাকি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে। বৈঠক প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। কড়া সামরিক প্রহরায় প্রেসিডেন্ট ভবনে এই বৈঠক হয়। রাস্তার দুই পাশে অপেক্ষমাণ জনতা ও পথচারীরা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনি দিতে থাকেন। সাংবাদিকরাও বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করে তার বাসভবন গিয়ে পৌঁছান। বাসভবনে পৌঁছানোর পর দেশী-বিদেশী সাংবাদিকদের অনুরোধে বঙ্গবন্ধু তাদের সঙ্গে এক ঘরোয়া আলোচনায় মিলিত হন।

এ সময় জনৈক বিদেশী সাংবাদিক বাংলাদেশের নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে জানতে চান, আজ ৫২তম জন্মদিনে আপনার সবচেয়ে বড় কামনা কী? জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, জনগণের সার্বিক মুক্তি। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি জন্মদিন পালন করি না। আমার জন্মদিনে মোমবাতি জ্বালাই না, কেকও কাটি না। বঙ্গবন্ধু আরো বলেন, আমি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছি। আমি যখন আলোচনা করি অবশ্যই আমার দাবির কথাও বলি।

 


মন্তব্য