kalerkantho


বাংলাদেশ যক্ষ্মা নির্মূলে অঙ্গীকারাবদ্ধ : নাসিম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মার্চ, ২০১৭ ১৭:১৪



বাংলাদেশ যক্ষ্মা নির্মূলে অঙ্গীকারাবদ্ধ : নাসিম

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে দেশ থেকে যক্ষ্মা (টিবি) নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে।  
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় বলা হয়, গতকাল নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল থেকে যক্ষা নির্মূলে মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সমাপনী দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশ থেকে যক্ষ্মা নির্মূলে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করব।  
তিনি বলেন, আমরা বুঝতে পারছি, যক্ষ্মা নির্মূলের লক্ষ্যে ১ কোটি ২০ লাখ লোককে বাঁচাতে পারব এবং ৫ কোটি রোগীকে এর হাত থেকে প্রতিরোধ করতে পারব।  
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিসহ ভুটান, কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও পূর্ব তিমুরের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।  
সম্মেলনে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, এবংস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজি এ কে এম মহিয়ুল ইসলাম ও সরদার আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন।  
নাসিম বলেন, রোগ চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রাথমিক টিবি নিয়ন্ত্রণ সেবায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে নতুন রোগী ও রোগের পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থান অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।  
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এমডিআর-টিবি রোগের জন্য স্বল্প মেয়াদী চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রণয়ন করেছে এবং এর মাধ্যমে অনেক এমডিআর-টিবি রোগ নিরাময়ে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। যক্ষা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিকল্পনা কৌশল ২০১৮-২০২২ সংস্কার করা হয়েছে।  
নাসিম বলেন, যক্ষ্মার বিরুদ্ধে যুদ্ধে কিছু অগ্রগতি হওয়া সত্যেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৪০ শতাংশ যক্ষা রোগী এখন অচিহ্নিতকরণ পর্যায়ে রয়েছে। যক্ষ্মা রোগের ব্যাপারে সতর্কতা এখনও কার্যকর রয়েছে। শিশু পর্যায়ে যক্ষা নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এমডিআর-টিবি সনাক্তকরণ প্রয়োজন।  
এ সময় মন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ করে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস এবং দারিদ্র্য দূর ও গড় আয়ু বৃদ্ধিতে অভাবনীয় উন্নতি লাভ করেছে।  
মন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা, সমন্বয়সাধন এবং সঠিক তদারকির কারণে স্বাস্থ্যখাতে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  


মন্তব্য