kalerkantho


মুক্তিযুদ্ধের কবিতা, গল্প আমাদের লিখে যেতে হবে : অর্থমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৭ ২২:৫৪



মুক্তিযুদ্ধের কবিতা, গল্প আমাদের লিখে যেতে হবে : অর্থমন্ত্রী

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত করার তাগিদ দিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে প্রয়োজন, যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠছে, তাদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অবহিত করা। মুক্তিযুদ্ধের রচনা, কবিতা, গল্প সেগুলো আমাদের লিখে যেতে হবে।

এটা একটা বড় দায়িত্ব। জাতি এই দায়িত্ব আমাদের দিয়েছে। ’

আজ বুধবার জাতীয় জাদুঘরে মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ভারতীয় হাইকমিশন ও মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সময় আমাদের হাতে খুব কম। এই মুহূর্তে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অবহিত করার দায়িত্বটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দায়িত্ব পালনকালে আমাদের এটাও বলতে হবে যে আমাদের জন্মলগ্নে আমরা যে দুরবস্থায় পড়লাম, তখন আমরা কী করে রেহাই পেলাম। আমরা রেহাই পেয়েছি বন্ধুদের সহায়তায়। সেই বন্ধুরা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

এ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ভারত মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বড় রকমের সহযোগিতা করেছে। আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। খাইয়েছে, লালন-পালন করেছে। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাঁদের যুদ্ধের জন্য তৈরি করেছে। নানাভাবে আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এই স্মৃতি ভারতেও ধরে রাখার প্রচেষ্টা চলছে। আজকের এই অনুষ্ঠান সেই প্রচেষ্টারই ছোট একটা প্রয়াস। ’

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ বরিশাল, খুলনা, সিলেট, রংপুর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এ বছর মোট ৬০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা স্কলারশিপ স্কিমের আওতায় সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পূর্ব পর্যায়ের ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে এ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য ১৫ কোটি টাকা।

দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, মুক্তিযুদ্ধ একাডেমির চেয়ারম্যান আবুল আজাদ।


মন্তব্য