kalerkantho


সাগরে খনিজ অনুসন্ধানে কোরিয়ান কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ মার্চ, ২০১৭ ২২:৩১



সাগরে খনিজ অনুসন্ধানে কোরিয়ান কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই

সাগরে খনিজ অনুসন্ধানে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি পোসকো দেইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে পিএসসি চুক্তি করেছে সরকার, যাকে ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে ‘মাইলফলক’ বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় পেট্রোবাংলার প্রধান কার্যালয়ে গভীর সমুদ্রের ডিএস-১২ ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য কোরীয় কোম্পানিটির সঙ্গে উৎপাদন-অংশীদারিত্ব চুক্তি (পিএসসি) সই হয়।

এ সময় সরকারের পক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব বেগম খাদিজা নাজনীন এবং পেট্রোবাংলার পক্ষে পেট্রোবাংলার সচিব আশফাকুজ্জামান ও পোসকো দেইয়ুর পক্ষে কোম্পানির জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট শি বো জু চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ,  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. নাজিমউদ্দিন চৌধুরী; পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত সিয়ং দু ও পোসকো দেইয়ু করপোরেশনের সিইও ইয়ং সেং কিম।

অনুসন্ধানে খনিজ পাওয়া গেলে চুক্তি অনুযায়ী, উৎপাদিত গ্যাস বা কনডেনসেটের ক্ষেত্রে ব্যয় নির্বাহের পর পেট্রোবাংলা সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পাবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যয় নির্বাহের পর পেট্রোবাংলা সর্বনিম্ন ৬০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ পাবে।

পেট্রোবাংলা জানায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ আইন) আইন ২০১০, অনুসারে গভীর সমুদ্রাঞ্চলে ব্লক ডিএস-১২, ডিএস-১৬, ও ডিএস-২১ ব্লকে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান/উত্তোলনের জন্য ২০১৬ সালের ০৫ ফেব্রুয়ারি আগ্রহপত্র (ইওআই) আহ্বান করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী ক্রিশ এনার্জি (এশিয়া) লিমিটেড, পোসকো দেইয়ু ও স্টেটইল নামের তিনটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। পরে তাদের কাছে আরইএফ বা প্রস্তাবনাপত্র চাওয়া হলে শুধু পোসকো দেইয়ু তাদের প্রস্তাব তুলে ধরে। এরপর গত মাসে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কোরীয় কোম্পানিটির সঙ্গে চুক্তি সইয়ের প্রস্তাবে সম্মতি দেয়।


মন্তব্য