kalerkantho


সেন্টমার্টিনসে আটকা পড়েছে কয়েক শ পর্যটক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৭ ২২:১২



সেন্টমার্টিনসে আটকা পড়েছে কয়েক শ পর্যটক

বৈরি আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনসে আটকা পড়েছে কয়েক শ পর্যটক। আজ শুক্রবার ভোর থেকে বৈরী আবহাওয়া ও ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে কোনও জাহাজ সেন্টমার্টিনস দ্বীপে যেতে পারেনি। এ কারণে এসব পর্যটক ফিরতে পারছে না। তবে আটকেপড়া পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিনসের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেতের পর থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনস রুটে কোনও জাহাজ চলাচল করেনি। এ কারণে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তবে শতাধিক পর্যটক শুক্রবার বিচ্ছিন্নভাবে স্পিডবোট ও স্থানীয় জেলেদের মাছ ধরার ট্রলারযোগে টেকনাফ ফিরেছেন।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের উপ-সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, "বৈরী আবহাওয়ার কারণে সগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলবর্তী এলাকায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে এবং নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। "

পর্যটকবাহী জাহাজ এমবি বাঙ্গালির ব্যবস্থাপক তোফায়েল আহমদ বলেন, "প্রতিদিনই টেকনাফ-সেন্টমার্টিনস নৌরুটে এমবি বাঙ্গালি, কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ড্রাইনিং এন্ড ক্রুজ,এলসিটি কুতুবদিয়া, গ্রীন লাইন, বে-ক্রুজ ও এলসিটি কাজল পর্যটকবাহি জাহাজ চলাচল করে।

কিন্তু হঠাৎ করে শুক্রবার বৃষ্টি ও দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে প্রায় পাঁচ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনস দ্বীপে যেতে পারেনি। ফলে যাত্রীদের টিকেটের টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। "

টেকনাফ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম জানান, "বৈরী আবহাওয়ার কারণে নৌরুটে জাহাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেন্টমার্টিনসে আটকে পড়া পর্যটকদের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করে আটকেপড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে। "

কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিনস স্টেশনের কমান্ডার সাব লে. মোহাম্মদ হাশেম জানান, "সেন্টমার্টিনসে বিভিন্ন হোটেলে-মোটেলে প্রায় দেড় হাজার পর্যটক অটকা পড়েছে। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় তারা টেকনাফ ফিরতে পারছে না। " তবে যাদের বড় ধরণের সমস্যা রয়েছে তাদেরকে স্পিড বোট করে সেন্টমার্টিনস থেকে শাহপরীরদ্বীপ পৌছে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
 

 


মন্তব্য