kalerkantho


বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি : প্রধানমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৭ ২১:১৬



বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ছিল একটি গেরিলা যুদ্ধের সফল নির্দেশনা। তবে তিনি কখনও বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি।

পৃথিবীতে এমন সফল অসহযোগ আর কোথাও হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।
আজ শুক্রবার বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন-এ 'জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি যাদুঘর’ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : রাষ্ট্র ও সমাজ কাঠামো পরিবর্তনের দিগদর্শন’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।  
স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদান উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তার জীবনী যদি দেখি, তাহলে দেখা যায় যে, পাকিস্তান সৃষ্টিতেও তার অবদান ছিল। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পর দেখা গেল ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি, আচার আচরণে কোন মিল নেই। শুধুমাত্র ধর্মের দোহাই দিয়ে ১২০০ মাইল দুরত্বে দুটি রাষ্ট্র গঠন করা হলো। আর এর প্রথম আঘাত হানা হলো ভাষার ওপর। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকেই জাতির পিতার যাত্রা শুরু। এরপর প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তার ছিল অপরিসীম ভূমিকা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্তান বা পরিবারের সদস্য হিসেবে তার মনের কথা আমরা জানতাম। এই জাতিকে একত্রিত করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা মাথায় রেখে প্রতিটি পদক্ষেপ তিনি নিয়েছিলেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে গেছেন। ছয় দফার পরই তার ওপর মামলা, অত্যাচার শুরু হলো।  
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি। এখানে আক্রমণকারী যারা হবে তারাই হবে বিচ্ছিন্নতাবাদী। তাই কোনমতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়া যাবে না। তিনি (বঙ্গবন্ধু) একটি কথা বলতেন, যারা সংখ্যা গরিষ্ঠ, তারা কখনও বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারেনা। ৭০ এর নির্বাচনে তিনি যা বলেছিলেন, তাই ঘটেছিল। আর বাংলাদেশের নেতা কে হবেন তা জনগণের ভোটের মাধ্যমে তিনি তা নির্ধারণ করেছিলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।  স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাত।


মন্তব্য