kalerkantho


শাহজালালে বসছে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৭ ২০:০৯



শাহজালালে বসছে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র

বিস্ফোরক শনাক্তকরণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যন্ত্র বসানো হচ্ছে। এ ছাড়া যাত্রীদের লাগেজ ও যানবাহন তল্লাশি এবং তরল বিস্ফোরক শনাক্ত করতে বসানো হচ্ছে পৃথক যন্ত্র।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, উড়োজাহাজের হোল্ডে রাখার মতো ভারি ব্যাগ তল্লাশির জন্য আটটি ডুয়েল ভিউ এক্স-রে স্ক্যানিং মেশিন, হ্যান্ড ব্যাগ তল্লাশির জন্য ১৪টি ডুয়েল ভিউ স্ক্যানিং মেশিন, ছয়টি লিকুইড এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম (এলইডিএস), ৯টি আন্ডার ভিইকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস), চারটি ফ্যাপ ব্যারিয়ার গেট উইথ কার্ড রিডার, পাঁচটি ব্যারিয়ার গেইট উইথ আরএফআইডি কার্ড রিডার, দুইটি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম (ইডিএস) এবং চারটি এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেকশন (ইটিডি) কেনা হয়েছে। ব্যাগের ওপর ও দুই পাশ সব দিক দিয়েই স্ক্যান করতে সক্ষম ডুয়েল ভিউ এক্স-রে স্ক্যানিং মেশিন। অন্যদিকে, এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম দিয়ে ব্যাগ না খুলেই তল্লাশি করা যাবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক কাজী ইকবাল করিম  বলেন, "যে কয়টি ডুয়েল ভিউ এক্স-রে স্ক্যানিং মেশিন এসেছে, সেগুলো বসানোর কাজ চলছে। অন্য মেশিনগুলোর মধ্যে দুটির ব্যবহার শুরু হয়েছে ও দুটি সংযোজনের কাজ চলছে। সব মেশিন এখনও দেশে এসে পৌঁছায়নি। "

এসব যন্ত্র বসানোর স্থান নির্ধারণ নিয়ে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এসব যন্ত্র পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেবে সরবরাহকারী ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান স্মিথস ডিটেকশন।

বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে পুরোনো যন্ত্র সরিয়ে নতুন যন্ত্র সংযোজনের কাজ চলছে। ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেডলাইনের পরামর্শে কেনা হয়েছে এসব যন্ত্র।

সূত্র আরও জানায়, গত বছরের ৮ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বিশেষ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য জরুরি সরঞ্জাম সরবরাহ ও সংস্থাপন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয় ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

 


মন্তব্য