kalerkantho


ওপিসিডব্লিউ'র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৭ ২৩:১৪



ওপিসিডব্লিউ'র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থার (ওপিসিডব্লিউ) নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ওই সংস্থাটির শীর্ষ পদে নির্বাচিত হলো।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইফফাত ইমরান গারদেজিকে হারিয়ে নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ওপিসিডব্লিউতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শেখ মোহাম্মদ বেলাল ২০১৭-২০১৮ মেয়াদের জন্য সংস্থাটির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন।  

আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালে যাত্রার পর শেখ মোহাম্মদ বেলাল হবেন সংস্থার ২০তম চেয়ারপারসন। পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের ফলে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এশিয়া গ্রুপ এই গুরুত্বপূর্ণ পর্ষদের চেয়ারপারসন হওয়ার সুযোগ পেয়ে আসছে এবং এ পর্যন্ত এশিয়া গ্রুপ থেকে চারবার এই দায়িত্ব পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে দুবার ভারত এবং শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইন একবার করে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছে।

রাসায়নিক অস্ত্র বিস্তার প্রতিরোধে অসামান্য অবদানের জন্য সংস্থাটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে। ১৯২ সদস্য রাষ্ট্রকে নিয়ে সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালের ১৪ জানুয়ারি এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে এবং ২৫ এপ্রিল ১৯৯৭ তারিখে তা অনুসমর্থন করে। দীর্ঘ প্রায় এক দশক বিরতির পর ২০১৫ সালে বাংলাদেশ দুই বছরের জন্য (২০১৬-২০১৮) পুনরায় নির্বাহী পর্ষদের সদস্য নির্বাচিত হয়।

৪১ সদস্যের ওপিসিডব্লিউর নির্বাহী পরিষদ তাদের মঙ্গল ও বুধবারের নির্বাহী বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে সংস্থার চেয়ারপারসন পদে নির্বাচিত করে।  

এর আগে সোমবার সংস্থার ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট এশিয়া গ্রুপ শেখ মুহম্মদ বেলালকে অনানুষ্ঠানিক ভোটের মাধ্যমে নির্বাহী পর্ষদের পরবর্তী চেয়ারপারসন পদে মনোনীত করে। এর ফলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বেলাল সহজেই তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতের বিপরীতে সমর্থন লাভ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ওপিসিডব্লিউতে বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নির্বাচন আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অবদান এবং আন্তর্জাতিকভাবে অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও তার বিস্তার প্রতিরোধে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সন্তোষজনক মনোভাবেরই প্রতিফলন। স্বাধীনতার মাসে এই নির্বাচন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের গুরুত্ব নিশ্চিতভাবে আরও বৃদ্ধি করবে।


মন্তব্য