kalerkantho


দুই বছরের মধ্যে বাল্যবিবাহের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে : চুমকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৭ ১৯:৩২



দুই বছরের মধ্যে বাল্যবিবাহের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে : চুমকি

আগামী দুই বছরের মধ্যে বাল্য বিবাহের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস-২০১৭ উপলক্ষে আয়োজিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন -২০১৭ কার্যকর হলে আাগামী দুই বছরের মধ্যে বাল্য বিবাহের পরিমাণ অর্ধেকে নেমে আসবে। এ জন্য যা করা দরকার সরকার তা করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন ক্রমেই ১৮ বছরের নিচের কোন মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যাবে না, যা বর্তমান আইনে সুষ্পষ্ঠভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কতিপয় মহল এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। প্রতিটি আইনের কিছু ব্যতিক্রম থাকে, ব্যতিক্রম কখনই উদাহরণ হতে পারে না।

তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন -২০১৭ এর বিশেষ বিধান মেয়েদের সর্বোচ্চ স্বার্থ রক্ষার্থে রাখা হয়েছে, যা আদালত নিশ্চিত করবে এবং এ বিষয়ে শীঘ্রই বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে। বিধিমালা প্রণয়নের সময় আইন প্রণেতা এবং সমাজের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের মতামত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নারী উন্নয়নে বাংলাদেশ একটি রোল মডেল। বিমানের পেরাস্যুটার থেকে শুরু করে পর্বতের সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহন, ট্রেনচালক, বিচারপতি, সচিব সবক্ষেত্রেই নারীর পদচারণা মূখরিত হচ্ছে।

নারীকে তার যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার জন্য সরকার নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

চুমকি বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অর্থনৈতিকভাবে নারীকে ক্ষমতায়নের জন্য ২ কোটি নারীকে ১৮টি ট্রেডে বিনা খরচে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে তাদেরকে এককালিন অর্থ প্রদান করে থাকে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের সহায়তায় প্রচলিত হেল্প লাইন ১০৯২১ কে নতুন হেল্প লাইন ১০৯ ঘোষণা করেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় পর্যায়ে ৫টি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে পুরষ্কৃত করা হয়। এর মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে শার্লী মেশৌপ্রু, শিক্ষা ও চাকরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হোসনে আরা, সফল জননী নারী হিসেবে মিসেস ফিরোজা বেগম, নির্যাতনের বিভিষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন শুরু করেছেন যে নারী এ ক্যাটাগরীতে মর্জিনা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী এ ক্যাটাগরীতে আরিফা ইয়াসমিন ময়ুরীকে জয়িতা পদক প্রদান করা হয়। স্বীকৃতি হিসেব তাদেরকে দেওয়া হয় একটি সার্টিফিকেট, একটি ক্রেস্ট এবং পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক।


মন্তব্য