kalerkantho


সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৭ ১৯:০৬



সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল বিল পাস

উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদানের বিধানের প্রস্তাব করে সংসদে ‘বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল বিল-২০১৭’ পাস হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে বিলটি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। এ সময় বিরোধী জাতীয় পার্টির কয়েকজন সংসদ সদস্য বিলটি জনমত যাচাই প্রস্তাব করলেও তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। তাঁদের সংশোধনী প্রস্তাবগুলোও গ্রহণ করেননি শিক্ষামন্ত্রী।

পাসকৃত বিলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত বিধানাবলী প্রযোজ্য করার বিধান রাখা হয়েছে। বিলের বিধানাবলী কার্যকর হবার পর সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল নামে একটি সংবিধিবদ্ধ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠারও বিধান রয়েছে। কাউন্সিলের কার্যালয় ঢাকায় রাখারও প্রস্তাব করা হয়।

বিলের বিধান অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান, চারজন পূর্ণকালীন সদস্য এবং আটজন খণ্ডকালীন সদস্য সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠন করা হবে। বিলে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান-সদস্য নিয়োগ, যোগ্যতা ও তাদের মেয়াদ, কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী, কাউন্সিলের সভা, কাউন্সিলের সচিব ও কর্মচারি নিয়োগ, অ্যাক্রেডিটেশন কমিটি গঠন, বিশেষজ্ঞ কমিটি এবং ফ্রেমওয়ার্কসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। এতে কনফিডেন্স সার্টিফিকেট, অ্যাক্রেডিটেশন সার্টিফিকেটের আবেদন প্রক্রিয়া, আবেদন মঞ্জুর বা না মঞ্জুর, ফি, সার্টিফিকেটের বৈধতা, সার্টিফিকেট প্রাপ্তির শর্ত, নিরীক্ষা ও অ্যাসেসমেন্ট এবং সার্টিফিকেট বাতিলসহ আনুসাঙ্গিক বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত করার বিধান করা হয়।

এ ছাড়াও অ্যাক্রেডিটেশন সার্টিফিকেট গ্রহণ ছাড়া কোন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাকে অ্যাক্রেডিটেশনপ্রাপ্ত বলে বিজ্ঞাপন প্রচার বা তথ্য নির্দেশিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করা যাবে না বলে বিধান রাখা হয়েছে। বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কনফিডেন্স সার্টিফিকেট বাতিল কিংবা ক্ষেত্রমত অ্যাক্রেডিটেশন সনদপত্র স্থগিত, প্রত্যাহার কিংবা বাতিল এবং এর অতিরিক্ত হিসেবে জরিমানা আরোপ করার বিধানের প্রস্তাব করা হয়।

 


মন্তব্য