kalerkantho


ভিডিও ফুটেজের ভয়ে সতর্ক অবস্থানে পরিবহন শ্রমিকরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:৪৬



ভিডিও ফুটেজের ভয়ে সতর্ক অবস্থানে পরিবহন শ্রমিকরা

রাজধানীর গাবতলীতে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের একটি দৃশ্য দেশব্যাপী পরিবহন ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গাবতলীতে সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত হাজারো শ্রমিককে আসামি করে হত্যাসহ পৃথকভাবে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে সতর্ক অবস্থানে আছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তাদের জন্য সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ।

রাস্তায় ও বিভিন্ন ভবনে লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। যে কোনও সময় গ্রেপ্তার হওয়ার আতঙ্কে গা ঢাকা দিয়েছেন শ্রমিকদের অনেকে।

মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ে শ্রমিকদের অনেকের মধ্যে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেই ভয় থেকেই ঘটনার দিন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ও পরদিন দুপুরে রাস্তার সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো তাদের অনেককে ভাঙতে দেখা গেছে।

যদিও শুধু রাস্তার ল্যাম্পপোস্টে লাগানো সিসি ক্যামেরা নয়, আশপাশের ভবনগুলোর ক্যামেরার ফুটেজ, টিভিতে প্রচারিত ফুটেজ সহ পত্রিকা এবং অনলাইনে প্রকাশিত ছবি দেখেও প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরিবহন শ্রমিক জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে অনেকে কাজ ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পরিবহন শ্রমিক নেতারাও খুব প্রয়োজন না হলে গাবতলী এলাকায় আসছেন না। মোবাইল ফোনেও কম কথা বলছেন ।

ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত হওয়ার ভয়ে অনেক শ্রমিক কাজে আসছে না উল্লেখ করে জাতীয় সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সড়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ বলেন, এই সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরি। কারণ পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো দেশের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা গেলে সবার জন্যই মঙ্গল হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিবহন মালিক বলেন, পুরো আন্দোলনটা ছিল শ্রমিকদের স্বার্থে। এই আন্দোলনে আমরা মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমাদের গাড়ি এই কয়েক দিন চলাচল করেনি। এখন গ্রেপ্তারের ভয়ে শ্রমিকরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।


মন্তব্য