kalerkantho


'কৃষি উৎপাদনের ব্যয় কমাতে আরো দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৭ ১৮:৪৫



'কৃষি উৎপাদনের ব্যয় কমাতে আরো দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন'

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, পানির অপচয় রোধ ও কৃষি উৎপাদনের ব্যয় কমাতে সেচ কাজে আরো দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যমান সেচ পদ্ধতিতে পানির অপচয় বেড়েছে এবং যা ভূগর্ভস্থ ও উপরিস্থ পানির উপর চাপ বৃদ্ধি করে পরিবেশের উপর মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করেছে।

এজন্য বিতরণ পদ্ধতি, সেচ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, পানি বাজারজাত, পানির উৎস, জ্বালানির মতো উৎসগুলোর বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।
তিনি আজ রাজশাহী নগরীতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মিলনায়তনে সংস্থার চেয়ারম্যান ড. আকরাম হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম থান্ডু ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক হামিদুর রহমান বক্তৃতা করেন।
বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ১৪ হাজার ৯০টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপের মাধ্যমে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ২ লাখ ৬১ হাজার হেক্টর ইরি-বোরোসহ ৭ লাখ ৫২ হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় এনেছে। এতে ৬ লাখ ১৮ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদিত হচ্ছে।
সভায় এ অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, কৃষি খাতে ইতোমধ্যে সৃষ্ট পানির সংকট কৃষি উৎপাদনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়া কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির জন্য উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। যা এ অঞ্চলের কৃষকগণ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
ড. আকরাম চৌধুরী বরেন্দ্র প্রকল্পের চলমান কর্মকা-ের অগ্রগতির উল্লেক করে বলেন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি পুনঃখননকৃত নালা ও পুকুর থেকে পানি সরবরাহের ফলে ফসলের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। আরো ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের ব্যবস্থা করায় অতিরিক্ত ৭ লাখ ৪০ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদিত হবে।


মন্তব্য