kalerkantho


'কারো আবদার রক্ষার্থে সংবিধানের একচুলও ব্যত্যয় হবে না'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ১৬:২৪



'কারো আবদার রক্ষার্থে সংবিধানের একচুলও ব্যত্যয় হবে না'

বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে এবং বর্তমানে দেশে যে সরকার আছে তারাই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে এ পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সুতরাং সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে দেশে নির্বাচন হবে, কারো আবদার রক্ষার্থে সংবিধানের একচুলও ব্যত্যয় হবে না। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
 
বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সংবিধান ভালোভাবে পড়ার পরামর্শ দিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে, কোনো সরকারের অধীনে নয়। এমনকি নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারাও তখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত থাকে। তাই আপনারা নির্বাচনকালীন যে 'বিশেষ সরকারের' দাবি করছেন তা নিতান্ত অমূলক। আমরা আশা করব, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। গত জাতীয় নির্বাচনে না এসে বিএনপি আত্নহননের যে পথ বেছে নিয়েছিল তা এবার পরিহার করবে। বিএনপির অংশগ্রহণে আমরা দেশে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন দেখতে চাই।
 
আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেন, এক সময় যখন বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্ব মিডিয়ায় কিছু লেখা হতো বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ, উন্নয়নশীল বিশ্বের রোল মডেল। বিশ্ব নেতারা এখন এক বাক্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়াকে স্বীকার করে নিতে পারলেও পারছেন না কেবল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ নাকি ভালো নেই। আসলে উনি (খালেদা জিয়া) ভালো নেই। নিজের কথা বলতে গিয়ে ভুল করে তিনি বলে ফেলেছেন দেশের মানুষ ভালো নেই।
 
৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণটি কেবল একটি ভাষণ নয় তা ছিল বাঙালিদের স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য দিক-নির্দেশনা। প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধু সেদিন প্রকারান্তরে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
 
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন শাহে আলম মুরাদসহ মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

 


মন্তব্য