kalerkantho


সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

'ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে ৩৭টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ মার্চ, ২০১৭ ২১:৩৯



'ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে ৩৭টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা'

নকল ও ভেজাল ওষুদ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে গত এক বছরে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই হাজার ১৬৯টি মামলা দায়ের করেছে। ওই সকল ঘটনায় ৬ কোটি ৬৬ হাজার ২৭ হাজার ৭০০ টাকা জরিমাণা আদায় করা হয়েছে।

এছাড়া নকল ও ভেজালের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৫৮ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর ৩৭টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে।  

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ তথ্য জানান। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির দায়ে ড্রাগ কোর্টে ৪১টি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ৬৪টি মামলা দায়ের করা হয়। এই সময়ে ১৭ কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি গাইডলাইন অনুসরণ না করায় এবং ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনের দায়ে এ পর্যন্ত ৮৬টি ওষুধ কোম্পানির লাইসেন্স সাময়িক বাতিল এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকার মানহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মডেল ফার্মেসী স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

জাতীয় পার্টির সদস্য এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানান, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিক তার কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরবর্তী ৪র্থ সেক্টর প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম জানান, সম্প্রতি ৯ হাজার ৫৯৮ জন নার্স নিয়োগ করে সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় পোস্টিং দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানান, নিয়মিত টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের জন্য গত ৭ বছরে বাংলাদেশ ৪টি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেয়েছে। এগুলো হচ্ছে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, গ্যাভী অ্যালায়েন্স অ্যাওয়ার্ড, সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড ও পোলিও মুক্ত সার্টিফিকেট। ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শিশু মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলাদেশ ইউনাইটেড নেশন কতৃক এমডিজি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।


মন্তব্য