kalerkantho


২০১৫ সালে ৩০.৯ ভাগ কিশোরী শারিরীক নির্যাতনের শিকার : চুমকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:৪৫



২০১৫ সালে ৩০.৯ ভাগ কিশোরী শারিরীক নির্যাতনের শিকার : চুমকি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, বিবিএস পরিচালিত ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট উইমেন সার্ভে ২০১৫ অনুযায়ী শতকরা ৩০ দশমিক ৯ ভাগ কিশোরী জীবনের কোন না কোন সময় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।  আজ সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য দিলারা বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একই জরিপে উল্লেখিত সময়ে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শতকরা ৩৪ দশমিক ২ ভাগ কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে দেখানো হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
 

চুমকি বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশের ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রংপুর এবং ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হয়েছে। ওসিসি’র মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে সমন্বিতভাবে চিকিৎসা সেবা, আইনগত সেবা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, পুলিশী সহায়তা, আশ্রয় ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সেবা প্রাপ্তির সুবিধার্থে দেশের ৪০টি জেলা সদর হাসপাতালে এবং ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিং প্রদান করা হয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এই সেন্টারে টোলফ্রি হেল্প লাইন ১০৯২১ নম্বরে ফোন করে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু, তাদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট সকলে প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শসহ দেশে বিরাজমান সেবা এবং সহায়তা সম্পর্কে জানতে পারে। ২০১৭ সাল থেকে হেল্পলাইন নম্বরটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তকের কভারে সন্নিবেশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে স্মার্ট ফোনে ব্যবহার যোগ্য মোবাইল অ্যাপস ‘জয়’ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপস ব্যবহারের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু কিংবা তাদের পরিবার ১০৯২১ এ তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস পাঠাতে পারবেন।

মেহের আফরোজ বলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের মাধ্যমে কিশোর ও কিশোরীদের সমাজ পরিবর্তনের এজেন্ট হিসেবে সমাজ সচেতনতা, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক রোধ, বনায়ন, বইপড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে।


মন্তব্য