kalerkantho


সংসদে সাধারণ আলোচনা

নির্বাচন আসলেই শুরু হয় দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:৩৯



নির্বাচন আসলেই শুরু হয় দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা বিএনপি-জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, নির্বাচন আসলেই শুরু হয় দেশী-বিদেশী নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আন্দোলনের নামে অগ্নিসন্ত্রাস ও মানুষ পুড়িয়ে হত্যার কারণেই বিএনপি বিদেশের আদালতে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ দলকে জনগনও প্রত্যাখ্যান করেছে।  

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের এম এ মালেক, বেগম লায়লা আরজুমান বানু, ফরহাদ হোসেন, মোসলেম উদ্দিন ও গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন। আলোচনা শেষে সংসদ অধিবেশন আগামী রবিবার বিকাল পৌণে পাঁচটা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশ যখন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে তখনই নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র চলছে। অগ্নিসন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াওয়ের পর জঙ্গীবাদকে উস্কে দিয় হলি আর্টিজানের মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটানো হয়েছে। কিন্তু সরকার শক্তহাতে জঙ্গীবাদকে দমন করেছে বলেই দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।  

আবদুল রহমান বদি বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দুই পুত্র দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারী।

আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা। বিদেশে পালিয়ে থেকে দুর্নীতিবাজ তারেক জিয়া দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। নির্বাচন আসলেই শুরু হয় নান ষড়যন্ত্র। সব ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তিনি।  

গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোটের জ্বালাও-পোড়াও ও অগ্নিসন্ত্রাসের রাজনীতির কথা দেশের জনগণ কোনদিন ভুলবে না। তাদের এই অপকর্মের জন্যই কানাডার ফেডারেল কোর্ট বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়ে রায় দিয়েছে।  

মোসলেম উদ্দিন বলেন, পয়সা দিয়ে সার চাওয়ার অপরাধে বিএনপির আমলে গুলি করে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়েছিলো। বিদ্যুৎ চাওয়ার অপরাধে গুলি চালানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে কৃষক নয়, সারই ছুটে কৃষকের পেছনে। দেশের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।  


মন্তব্য