kalerkantho


'বৈশ্বিকভাবে প্রমাণ হয়েছে বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৪:৪১



'বৈশ্বিকভাবে প্রমাণ হয়েছে বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন'

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলটির মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে এখন সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এটা এখন বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দ্রুত বিচার হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। কানাডার ফেডারেল আদালতে বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন অ্যাখ্যা দেওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়। কানাডার ফেডারেল আদালতের রায় তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, মোহাম্মাদ জুয়েল হোসেন গাজী নামের ঢাকার মিরপুরের স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়ার পর তিনি ফেডারেল কোর্টে এই জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন। তার ওই রিভিউ নাকচ করে কোর্ট আরও বলেছেন, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিল, আছে বা ভবিষ্যতেও থাকতে পারে, এমন ধারণার করার যৌক্তিক কারণ রয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, ঘুমন্ত মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা, বিশ্ব ইজতেমাফেরত মুসল্লি- কেউই বিএনপির এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে রেহাই পায়নি। পৃথিবীর কোথাও রাজনীতির জন্য, সরকার পরিবর্তনের জন্য এ ধরনের ঘটনা সমসাময়িক সময় ঘটেনি। এটি বিএনপি এবং তাদের মিত্র জামায়াত মিলে বাংলাদেশে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এত দিন ধরে বলে আসছিলাম বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন। কানাডার ফেডারেল কোর্টের জাজমেন্টে সেই কথাটি উঠে এসেছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করার ষড়যন্ত্রের ঘটনা উল্লেখ করে এর সঙ্গে বিএনপির যুক্তরাষ্ট্র শাখার এক নেতার ছেলে এতে জড়িত থাকার কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে দেশের বাইরে বিস্তৃত হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠনের যে তকমা বিএনপি পেয়েছে, এ থেকে পরিত্রাণের জন্য বিএনপির আমূল পরিবর্তন এবং তাদের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়-বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি-বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

 


মন্তব্য