kalerkantho


সংসদে পানি সম্পদ মন্ত্রী

'সারা দেশে বাঁধ পুনর্বাসন ও খাল পুন:খনন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:৫৫



'সারা দেশে বাঁধ পুনর্বাসন ও খাল পুন:খনন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে'

পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংসদে জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং সেচ ও কৃষিকাজে পানি সরবরাহের লক্ষ্যে সারা দেশে ৭ হাজার ৬২০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন এবং ৪ হাজার ৮১৫ কিলোমিটার বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ‘বাঁধ পুনর্বাসন এবং নদী/খাল পুন:খনন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আজ রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।  

সরকার দলীয় সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, খাল খনন বা পুনঃখনন প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত ডিপিপিটি অনুমোদিত হলে মাঠ পর্যায়ের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বরাদ্ধ দেওয়া হবে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার বৈরাগীর হাট ও চিলমারী বন্দর ব্রক্ষ্মপুত্র নদের ডান তীরের ভাঙ্গন হতে রক্ষা প্রকল্পটির বাস্তব কাজের সব শেষ অগ্রগতি ৭৫ ভাগ ও আর্থিক অগ্রগতি ১৪০ কোটি ৯১ লাখ টাকা। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ করা সম্ভব হবে।  

অপর এক প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদ মন্ত্রী জানান, ষাটের দশকের শুরু থেকে উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত নির্মিত ১৩৯টি পোল্ডার উপকূলীয় এলাকায় পানি প্রবেশ রোধ, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও জানমালের নিরাপত্তা বিধান করেছে।  

তিনি আরো জানান, উপকূলীয় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ১২ হাজার ১৬০ কিলোমিটার এলাকা ৫ হাজার ১৬০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হয়েছে।

বিগত ৮ বছরে তথা ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট ২ হাজার ৭৯১ কোটি ১৭ লাখ টাকা বাঁধ সংস্কার ও মেরামতের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য