kalerkantho


নারীর ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন : স্পিকার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নারীর ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন : স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও সর্বস্তরে নারীদের সমঅধিকার অর্জন নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, যার মাধ্যমে কার্যকর ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে নারী উন্নয়ন ও নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি আজ শুক্রবার ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের অমরাবতীতে মায়ের’স এমআইটি স্কুল অব গভর্ণমেন্ট, পুনে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিশেন (সিপিএ) ও ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)-এর সহযোগিতায় অন্ধ্র প্রদেশের লেজিসলেটিভ এসেম্বলি ও অন্ধ্র প্রদেশ সরকারের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল উইমেনস পার্লামেন্ট (এনডব্লিউপি) এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ আবশ্যক উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, 'রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে নারীকে নেতৃত্বদানের সুযোগ করে দিতে হবে। ' তিনি বলেন, সুযোগ ও সক্ষমতা অর্জন এই দুয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হলে ব্যাপক অর্থে সামাজিক পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। ' তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অনেকগুলোই অর্জন করেছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু ও জেন্ডার বৈষম্য নিরসনসহ অনেক ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি, নারীদের জন্য বিভিন্ন প্রকার ভাতা ব্যবস্থাসহ নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নারীর উন্নয়ন হয়েছে। '

স্পিকার বলেন, 'তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বিশ্বায়নের এ যুগে পুরাতন ধ্যান-ধারণা থেকে মুক্ত হয়ে সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণে সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা একান্ত আবশ্যক। কারন সমাজের অর্ধেক জনশক্তিকে পেছনে রেখে অর্থনৈতিক মুক্তি ও উন্নত সমাজের স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়। '

সিপিএ চেয়ারপার্সন বলেন, 'সংসদীয় গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে নারী পুরুষের সমতা ও নারীর জন্য সমসুযোগ সৃষ্টির ব্যাপারে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। '

এর আগে সকালে অন্ধ্র প্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী নারা চন্দ্রবাবু নাইডু হোটেলে স্পিকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তারা নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আরও অধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


মন্তব্য