kalerkantho


দেশকে বাল্য বিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সরকার সচেষ্ট: চুমকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:৪৩



দেশকে বাল্য বিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সরকার সচেষ্ট: চুমকি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, দেশকে বাল্য বিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইন ও নীতি প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ও এনজিও কর্মীবৃন্দের মধ্যে এই বিষয়ে যথেষ্ট সচেতনতা তৈরি হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউএসএইড’র আর্থিক সহায়তায় প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বাস্তবায়নে প্রটেক্টিং হিউম্যান রাইটস (পিএইচআর) প্রকল্পের সমাপনী ও মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
 
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেলে আমরা বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে পারি। কিন্তু এখানে থেমে থাকলেই চলবে না। সমস্যার মূলে গিয়ে দেখতে হবে পরিবারটি কেন তার সন্তানকে বাল্য বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট, হিউমেন রাইট্স কমিশনের সদস্য নুরুন্নাহার ওসমানী, ইউএসএইড বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর জানিনা জারুস্কি, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট সালমা আলী।

মার্শিয়া বার্ণিকাট বলেন, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও আশাব্যঞ্জক। ইতিমধ্যেই সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নারীর প্রতি সহিংসতা কমেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে যুক্তরাষ্ট্র তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পিএইচআর প্রকল্পে কর্মরত বিভিন্ন সোসাল ওয়ার্কার এবং নির্যাতনের বিভীষিকা থেকে ঘুরে দাড়ানো নারীদের সম্মানে ভূষিত করা হয়।

তা ছাড়াও অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পে কর্মরত সোস্যাল ওয়ার্কার তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।


মন্তব্য