kalerkantho


আজ সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৪:২১



আজ সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে সন্ধ্যায়। টানা ৩৪ দিনের বেচাকেনা শেষে মেলা প্রাঙ্গণে চলছে স্টল গোছানোর কাজ। আজ শনিবার বিকেলে চার দিনের বাড়তি সময় শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য মেলার ২২তম আসর শেষ হচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গনে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ২০১৮ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে হবে না। তখন মাসব্যাপী এই মেলা হবে ঢাকার পূর্বাচলে। এ জন্য সরকার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আয়োজনে প্রতি বছরের মতো এবারও নতুন বছরের ১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে ১৬ সালে মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপানসহ ২১টি দেশ অংশ নেয়। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় নতুন সাতটিসহ ২১টি দেশ অংশ নিয়েছে। মেলায় এবার ১৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫৮০টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে।

এর মধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে ৪৮টি। এছাড়া মেলায় নারী উদ্যোক্তাদের স্টল আছে ৩৮টি। গতবার যা ছিলো ২৯টি।

বাণিজ্য মেলায় ২০১০ সালে ২২ কোটি ৮৬ লাখ, ২০১১ সালে ২৫ কোটি, ২০১২ সালে ৪৩ কোটি ১৮ লাখ, ২০১৩ সালে ১৫৭ কোটি, ২০১৪ সালে ৮০ কোটি টাকা, ২০১৫ সালে ৮৫ কোটি, ২০১৬ সালে ২৩৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া যায়। এছাড়া ২০১৫ সালে ২০তম বাণিজ্য মেলায় পণ্য বিক্রি হয়েছিল ৫০ কোটি টাকার। ২০১৬ সালে পণ্য বিক্রি দ্বিগুণের বেশি বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১২১ কোটি টাকায়। এদিকে মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), আনসার সদস্যের পাশাপাশি বেসরকারি সিকিউরিটি ফোর্স। এছাড়া মেলায় ১৪০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনা করা হয়।

তবে ২২তম বাণিজ্য মেলায় এবার প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ হয়েছে। যার অধিকাংশই নারী শিক্ষার্থী। আর যারা খণ্ডকালীন চাকরিতে ভালো করেছেন তাদের অনেকেই স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে করে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মেলা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর মুক্তি পাচ্ছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। বাণিজ্য মেলা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, আমরা সবসময় চেষ্টা করি একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভালো একটি মেলা উপহার দিতে। আশা করি আমরা এবার সেটা করতে পেরেছি। অন্যদিকে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার রপ্তানি আদেশ পূর্বের ইতিহাস ছাড়িয়ে যাবে। কেননা এবার মেলায় কেনাবেচা অন্য বছরের চেয়ে অনেকাংশে ভালো।

 


মন্তব্য