kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দীর্ঘদিন জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন নিহত আব্দুর রহমান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:৫২



দীর্ঘদিন জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন নিহত আব্দুর রহমান

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কথিত বাংলাদেশ প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল হানিফকে শনাক্ত করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। ৮ অক্টোবর আশুলিয়ায় র‌্যাবের অভিযানের সময় পালাতে গিয়ে নিহত ব্যক্তিই আবু ইব্রাহিম আল হানিফ।

তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম আব্দুর রহমান বলে জানিয়েছিল র‌্যাব। র‌্যাব বলছে, গত ১৩ বছর ধরে সে জঙ্গি কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
ঘটনার পর আব্দুর রহমানের বাসা থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সাংগঠনিক অনেক নথি উদ্ধার করা হয়। পরে তার পাসপোর্টের সূত্র ধরে প্রতীয়মান হয় যে আব্দুর রহমানের এ  পরিচয় ভুয়া  ।
এ ঘটনার ১২ দিন পর র‌্যাব দাবি করে, এই আব্দুর রহমানের প্রকৃত নাম সারোয়ার জাহান। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের থুমরিভোজা এলাকায়।
র‌্যাব কর্মকর্তাদের দাবি, আশুলিয়ার বাসা থেকে উদ্ধার করা নথিপত্র বিচার-বিশ্লেষণ করে আব্দুর রহমানকেই আইএসের কথিত বাংলাদেশ প্রধান আবু ইব্রাহিম আল হানিফ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ কাওরানবাজারে র‌্যাবের নতুন মিডিয়া অফিসে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘২০০৩ সালে এই আব্দুর রহমান  জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পুলিশের সঙ্গে সশস্ত্র সংঘর্ষ করেছিল। ওই সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং সে ৯ মাস ৪ দিন কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পায়। এরপর দেড় মাস বাড়িতে থেকে ফের আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার মানে প্রায় ১৩ বছর ধরে সে জঙ্গি  কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিল। ’
তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ সে নব্য জেএমবি গঠন করে এবং আবু ইব্রাহিম আল হানিফ নামে এ সংগঠনের আমির হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ বিষয়ে কিছু নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিজেকে আমির হিসেবে ঘোষণার একটি কাগজে আবু ইব্রাহিম অর্থাৎ আব্দুর রহমান ও তামিম চৌধুরী স্বাক্ষর করে। শেখ আবু নামটি তামিম চৌধুরীর সাংগঠনিক নাম। ’
চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল আইএসের কথিত মুখপত্র দাবিক-এর ১৪তম সংখ্যায় আবু ইব্রাহিম আল-হানিফের একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকশিত  হয়। সেখানে তাকে বাংলাদেশে আইএসের কথিত প্রধান বলে দাবি করা হয়।

 


মন্তব্য