kalerkantho


৬ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে চলে গেলেন রিকশাচালক রমজান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০৮:২০



৬ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে চলে গেলেন রিকশাচালক রমজান

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের প্রবেশপথে অ্যাম্বুলেন্সের চাপায় আহত আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল গর্ভের সন্তানসহ ছয়জনে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিকশাচালক রমজান (৪০)। নিহত রমজান কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৃত জজ মিয়ার ছেলে। ঢাকায় রায়েরবাগের মেরাদনগরে থেকে রিকশা চালাতেন তিনি। ঘটনার দিন স্ত্রীর সাথীর চিকিৎসা করাতে ঢামেক হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। এর আগে মারা যান গোলেনূর বেগম (২৫) ও তার ছেলে সাকিব (৭), ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা আমেনা বেগম সূর্যি (৩৫) ও তার গর্ভের সন্তান এবং অজ্ঞাতপরিচয় একজন (৬০)। নিহত আমেনা বেগম সূর্যির আট বছর বয়সী ছেলে সজীব এখনও ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

'মানব সেবা' নামে খালি অ্যাম্বুলেন্সটি গত ১৫ অক্টোবর দ্রুতবেগে হাসপাতালে ঢুকতে গিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে একটি রিকশাকে ধাক্কা এবং কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজন ও অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই বৃদ্ধ। তিনি পুলিশ ফাঁড়ির সামনের রাস্তার পাশে বসে ভিক্ষা করতেন বলে জানান স্থানীয়রা। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর মৃত্যু ঘটে শিশু সাকিবের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৩টায় মারা যান তার মা গোলেনূর বেগম।
 
দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালক সোহেলকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ ও অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ওই অ্যাম্বুলেন্সের মালিক নাসির মিস্ত্রি গাড়িতে ছিলেন না। ওই সময় নাসিরের সহকারী সোহেল গাড়ি চালাচ্ছিলেন।


মন্তব্য