kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ৫৩২৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:১৩



অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ৫৩২৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

চলতি অর্থ-বছরের (২০১৬-’১৭) শুরুতেই চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে আশাতীত সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬-’১৭ অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৪ কোটি টাকা।


কাস্টমস হাউজের কমিশনার এ বি এম আব্দুল্লাহ খান জানান, এ অর্থ-বছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) তাদের নির্ধারিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৩শ’ ১০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫ হাজার ৩শ’ ২৪ কোটি টাকা। তিনি বলেন,লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। গত অর্থবছরে (২০১৫-’১৬) একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৪ হাজার ৩শ’ ১৪ কোটি টাকা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্ব বাণিজ্যের মন্দাভাব, আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্কহার হ্রাস এবং জনবল সংকট সত্ত্বেও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের রাজস্ব আদায়ে সফল্যের মূলে রয়েছে,কাস্টমস হাউজের কর্মকান্ডে নজরদারি, নিয়মিত মনিটরিং, স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়মিত বৈঠক ও বকেয়া রাজস্ব আদায় কার্যক্রম জোরদারকরণ।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে কাস্টমস কমিশনার এ বি এম আব্দুল্লাহ খানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, ২০১৬-’১৭ অর্থবছরে জুলাই-আগষ্ট প্রান্তিকে ২০১৫-’১৬ অর্থ-বছরের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব আদায় বেশী হয়েছে ১ হাজার ১০ কোটি টাকা। পাশাপাশি রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হারও ২৪ শতাংশ বেশি। বর্ধিত এই রাজস্ব আদায়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন নবনিযুক্ত কমিশনারসহ কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
একটি সূত্র জানায়, কাস্টমস হাউজে ডেপুটি কমিশনারের ১৬টি পদের বিপরীতে আছে ৭জন, শূন্য ৯টি পদ। অনুরূপ সহকারী কমিশনারের অনুমোদিত ৪৮ পদের বিপরীতে কর্মরত আছে ১৩ জন, শূন্য ৩৪টি পদ। একইভাবে রাজস্ব কর্মকর্তার ১১৯ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৬৩ জন, শূন্য ৫৬ পদ। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার ৪৮৭ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৫৫ জন, শূন্য ৩৩২টি পদ। সব মিলিয়ে ৬৬৯ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২৩৯ জন। পদ শূন্য রয়েছে ৪২৫টি। এমনি অবস্থায় কাস্টমস হাউজের মতো গুরুত্বপূর্ণ অফিস চলছে জনবল সংকট নিয়ে। অথচ এখানে কোন কাজ পেন্ডিং রাখার অবকাশ নেই।
সূত্র জানায়, এআইআর শাখায় ২০১৫-’১৬ অর্থবছরে জুলাই-জুন পর্যন্ত সময়ে ৯১০টি শুল্ক ফাঁকির ঘটনায় অতরিক্ত রাজস্ব আয় হয় ৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ২০১৪-’১৫ অর্থবছরের একই সময় ২৭০টি রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় রাজস্ব আয় হয় ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২১ হাজার টাকা। এই শাখায় রাজস্ব আয় বেড়েছে ২৫ কোটি ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।


মন্তব্য