kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


খুলনা কারাগারে জেএমবি নেতা আসাদুলের ফাঁসি কার্যকর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১৩



খুলনা কারাগারে জেএমবি নেতা আসাদুলের ফাঁসি কার্যকর

বোমা হামলা চালিয়ে দুই বিচারক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) অন্যতম শীর্ষ নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের (৪৫) ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।  
আজ রবিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে খুলনা জেলা কারাগারে জঙ্গি আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

 
এ সময় ডিআইজি প্রিজন টিপু সুলতান, খুলনা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাহবুব হাকিম, সিভিল সার্জন এএমএম আবদুর রাজ্জাক, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি (সিটিএসবি) রাশিদা বেগম, র‌্যাবের প্রতিনিধি এএসপি মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা কারাগারের সুপার, কারাগারের জেলার ও কারাগারের ইমামসহ ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তারা রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে কারাগারে প্রবেশ করেন।  
জঙ্গি আরিফের ফাঁসি কার্যকরে চারজন জল্লাদ অংশগ্রহণ করেন বলে কারাগার সূত্রে জানা গেছে। আরিফ বরগুনা সদর উপজেলার বান্দরগাছিয়া গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।  
সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। এ হত্যা মামলায় ২০০৬ সালের ২৯ মে  ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দেন। এর মধ্যে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, শায়খ আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাই আব্দুল আউয়াল, ইফতেখার  হোসেন মামুন ও খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জেএমবির অপর শীর্ষ নেতা আসাদুল ইসলাম আরিফ পলাতক ছিলেন।  
২০০৭ সালের ১০ জুলাই ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার হন তিনি। এরপর আপিল করেন আরিফ। গত ২৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের রিভিউ আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।


মন্তব্য