kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ২০:০৯



নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।  
আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা বিষয়ক এক সভায় মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।


তিনি বলেন, এজন্য কোনো নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আগামী সাতদিনের মধ্যে জরিপ করে এসব স্থাপনার একটি তালিকা জমা দিতে হবে। নদীর পাড়ে ভরাট করা জলাশয়ের তালিকা প্রস্তুত করা এবং ঐসকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও অথারাইজড কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন জলাধার সংরক্ষণ আইন অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এর কোন ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দাকার, রাজউকের চেয়ারম্যান এম বজলুল করিম চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আখতার হোসেন, রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন) মো. আব্দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, নকশা অনুমোদনের পর যেকোন ভবনের লেআউট দেয়ার সময় রাজউকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কারণ দর্শনোর জন্য রাজউককে নির্দেশ দেয়া হয়। যে সকল ভবনমালিক অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ করেছে তার তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।  
অনুমোদনের অতিরিক্ত উচ্চতার ভবনের অনঅনুমোদিত অংশ ভেঙ্গে ফেলারও নির্দেশ দেন তিনি। ভবন নির্মাণ শেষে দখলসনদ ব্যতীত যাতে অন্যান্য সেবা সুবিধা না পায় সে জন্য ওয়াসা, বিদ্যুৎবিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করার জন্যও মন্ত্রী নির্দেশ দেন।  
তিনি বলেন, আবাসিক এলাকা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কেবল রাজউকই পরিবেশ ও প্রতিবেশের বিষয়কে গুরুত্ব দেয়। সকল নিয়ম-কানুন মেনে বসবাসের উযপুক্ত পরিবেশ রক্ষা করে রাজউকই আবাসিক এলাকা গড়ে তোলে।  


মন্তব্য