kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন : দুদক কমিশনার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:৩৬



দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন : দুদক কমিশনার

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।  
আজ রবিবার নড়াইলে দুনীতি দমন কমিশনের আয়োজনে গণশুনানী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি হল রুমে গণশুনানি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ।
দুদক কমিশনার বলেছেন, দেশে দুর্নীতিবাজদের সংখ্যা সীমিত। সেই সিমিত সংখ্যক লোক দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষকে জিম্মি করে ফয়াদা লুটছে। এখন সময় এসেছে তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করার।  
দুর্নীতি দমন কমিশনার বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহব্বানে দেশের মুক্তিকামী মানুষেরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করেছিল। তেমনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহব্বান দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। এজন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।  
প্রধান অতিথি আরো বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনে দুইটি কাজ রয়েছে। একটি হল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা, অপরটি দুর্নীতি সংগঠিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা। গণশুনানির মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের দুর্নীতির প্রবনতা থেকে দুরে রাখতে সহায়তা করবে বলেও প্রধান অতিথি জানান।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (প্রতিরোধ ও গণসচেতনতা শাখা) মোঃ মনিরুজ্জামান, দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ড. মোঃ আবুল হাসান, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রফেসর মুন্সি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান, দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক মোঃ জাহিদ হাসান প্রমুখ।
গণশুনানির মডারেটর হিসেবে ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ।  
নড়াইল সদর ও জেলা পর্যায়ের ৩৬টি সরকারি ও আধাস্বায়ত্ব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণের উপস্থিতি এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।  
গণশুনানিতে প্রায় শতাধিক অভিযোগ দাখিল হয়। সব অভিযোগ দুদক নথিবদ্ধ করা হয়। এরমধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিভিন্ন বিভাগের ৪০টি অভিযোগ সরাসরি সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শুনানি করা হয়। শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদের মধ্যে অভিযোগ সমূহের নিষ্পত্তি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়া প্রতি মাসে দুদককে এ শুনানির অভিযোগ সম্পর্কিত অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সমূহকে নির্দেশ প্রদান করা হয়।


মন্তব্য