kalerkantho


নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:২৭



নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষমন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হবে।  
তিনি বলেন, ‘রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান, বারিধারাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফ্লাট ভাড়া নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। কিন্তু এমনটি আর চলতে দেয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হতে হবে একটি অখ- জমির উপর। কোন আউটার ক্যাম্পাসথাকতে পারবে না। ’ 
শনিবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই পরিচালনার সব শর্ত মানে না। আর এটা সম্ভবও না। তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটা নতুন আইন করা হয়েছে। অনেক বাধার সম্মুখীন হওয়া স্বত্বেও সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় এই আইন পাশ হয়।
তিনি বলেন, অনেকেই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করে ব্যবসায়িক মুনাফার স্বার্থে। এই মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।  
মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে ২৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা শহর থেকে বাইরে চলে গেছে। আর যারা এখনো যায়নি তাদের নোটিশ দেয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলে যেতে। এ নির্দেশ না মানলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হবে।  
বিশ্ববিদ্যালয়কে গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হবে নতুন কিছু সৃষ্টি করার মাধ্যম। যে শিক্ষা বাস্তব প্রয়োগ করা যায় না, সেই শিক্ষা অর্থহীন।
নাহিদ বলেন, আমাদের প্রচলিত শিক্ষা নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে পারবে না। তাই দরকার নতুন শিক্ষানীতি। নতুন শিক্ষানীতির ব্যাপারে দলমত নির্বিশেষে বিএনপি, জাতীয় পার্টি সবাই সরকারের সাথে একমত।  
নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আমিনুল হক ভূইঞা, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম শাহি আলম, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আতফুল হাই শিবলী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ ও গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সিরাজুল জব্বার চৌধুরী।


মন্তব্য