kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জোড়া শিশুর চিকিৎসার সকল খরচ বহন করবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৪১



জোড়া শিশুর চিকিৎসার সকল খরচ বহন করবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুই মাথা, চার হাত ও চার পায়ের একটি জোড়া (পাইগোপেগাস) মেয়ে শিশুর চিকিৎসার সকল খরচ বহন করবে সরকার।
আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ কথা জানান।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা সেবা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শনে এলে এই শিশুর পিতা-মাতা ও ডাক্তাররা জোড়া শিশুর বিষয়ে মন্ত্রীকে অবগত করেন। মোহাম্মদ নাসিম শিশুর পিতা-মাতা সংশ্লিষ্ট ডাক্তাদের সাথে কথা বলেন এবং এই জোড়া শিশুটির চিকিৎসার সকল ব্যায় সরকারি ভাবে ব্যায় করার ঘোষনা দেন।  
শিশু সার্জারী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাহানূর ইসরাম জানান, বর্তমানে শিশুটি ঢামেকের শিশু সার্জারি বিভাগের ২০৫ নম্বর ওয়ার্ডে আছে। শিশুটির বসয় ১৮ দিন। শিশুটির গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। সে স্বাভাবিক ভাবে বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেছে।
এই জোড়া শিশুর চিকিৎসার বিষয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘আমি ডাক্তারদের সাথে কথা বলেছি। এই জোড়া শিশু অপরেশন করে আলাদা করতে হবে এবং তা করা সম্ভব। তার চিকিৎসার সকল সরকার বহন করবে। ’
ঢাকা মেডিকেলে প্রবেশের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অ্যাম্বুলেন্স উল্টে শিশুসহ ৩ জন নিহত হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ড্রাইভারের দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাকে ইতোমধ্যে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তার শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।  
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে সরকারি এ্যাম্বুলেন্স চাহিদার তুলনায় কম। এখন যদি বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রন করা হয় তাহলে রোগীরা আরও বেশি দুর্ভোগে পড়বে ও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক কিছু করা যায় না।  
পরে শেখ হাসিনা বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এ সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ্য থেকে মন্ত্রীকে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত করা হয়।  
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. মিজানুর রহমান, বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জিরি ইনস্টিটিউটের সমন্নয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  


মন্তব্য