kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে জানমালের ক্ষতি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:২৭



ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে জানমালের ক্ষতি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে জানমালের ক্ষতি কমাতে ঝুঁকি হ্রাসের কৌশল বিষয়ে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছেন।  
তিনি বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা নিতে হবে।  
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ আহবান জানান।  
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে দুর্যোগের কারণ এবং বাঁচার উপায় বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, সরকারি, বেসরকারি সংস্থাসহ সর্বসস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  
শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম শুরু করেন। উপকূলীয় জনসাধারণের দুর্যোগ ঝুঁকি বিবেচনা করে তিনি ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই নতুন আঙ্গিকে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর হাতে গড়া সিপিপি আজ সারাবিশ্বে সমাদৃত।  
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কাঠামোগত ও অবকাঠামোগত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমে সফলতা অর্জন করেছে। আমরা অবকাঠামোগত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে সাইক্লোন শেল্টার, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করেছি। ভূমিকম্প মোকাবেলায় জরুরি উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার জন্য সরঞ্জামাদি ক্রয় করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন এবং ফায়ার সার্ভিস ডিফেন্সকে হস্তান্তর করেছি।  
তিনি বলেন, সারাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে দুর্যোগে এভাকুয়েশন রুট হিসেবে ব্যবহার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঁচ হাজার ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে নারী, শিশু, বৃদ্ধ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  
শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়। দুর্যোগে দ্রুত সাড়াদানের জন্য দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগ সে¦চ্ছাসেবক তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  
তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ১৩ অক্টোবর ২০১৬ ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০১৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে হলে, কৌশলসমূহ বলতে হবে’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
তিনি ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০১৬’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।  


মন্তব্য