kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশে ‘বিশ্ব হসপিস ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস’ পালিত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৪



বাংলাদেশে ‘বিশ্ব হসপিস ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস’ পালিত

‘ব্যথাপূর্ণ জীবন এবং ব্যথাসহ মৃত্যু : কোনটিই কাম্য নয়’ প্রতিপাদ্যকে নিয়ে সারা বিশ্বের মতো আজ বাংলাদেশে ‘বিশ্ব হসপিস্ ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস’ পালিত হয়েছে।
অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শনিবার ‘বিশ্ব প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস’ পালিত হয় এবং দুই বছর পর পর দিবসটিকে ‘বিশ্ব হসপিস্ ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

 
বাংলাদেশে কমপক্ষে প্রায় ছয় লক্ষ রোগী যথাযথ চিকিৎসার অভাবে হয় বিনা চিকিৎসায় অথবা অপচিকিৎসায় সর্বশান্ত হয়ে নিদারুণ ব্যথা এবং যন্ত্রনায় মৃত্যু বরণ করেন। অথচ খুব অল্প সময়ে, স্বল্প প্রচেষ্টায় এই সব রোগীকে প্যালিয়েটিভ কেয়ার এর মাধ্যমে জীবনের শেষ দিনগুলোর জন্য নিরাপদ যন্ত্রনাহীন মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর নিশ্চয়তা দেয়া যায়।  
দুরারোগ্য ক্যান্সার এবং এ ধরনের রোগে আক্রান্ত পৃথিবীর শতকরা ৭৫ ভাগ রোগীই তাদের জন্য স্বীকৃত নিরাপদ আদর্শ ব্যথা নাশক ঔষধ মরফিন না পেয়ে অসহনীয় ব্যথা নিয়ে জীবনের শেষ দিনগুলো অতিবাহিত করেন এবং ব্যথা নিয়েই মৃত্যু বরণ করেন।  
চিকিৎসা এবং সমাজবিজ্ঞানে স্বীকৃত এটি। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত মানুষ এবং তার পরিবারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং মমতার বর্হিপ্রকাশ এই দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্য। আরোগ্য অযোগ্য রোগের মৃত্যু পথযাত্রী মানুষের কষ্ট যন্ত্রণা কমানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টার প্রক্রিয়াই ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার (প্রশমন সেবা)’ নামে পরিচিত।  
চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)’ এশিয়া প্যাসিফিক হসপিস এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার নেটওয়ার্ক (এপিএইচএন) ও ‘ওয়ার্ল্ড চাইল্ডহুড ক্যান্সার(ডব্লিউসিসি)’সহ বাংলাদেশের অন্যান্য উৎসাহি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে দিবসটি পালন করে।


মন্তব্য