kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'সরকারি খরচে আইন সহায়তা পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৯ জন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:৫৮



'সরকারি খরচে আইন সহায়তা পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৯ জন'

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৯ জন।  

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম সানজিদা খানমের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে ২০১৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মোট সরকারি আইনি সহায়তা প্রাপকের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৮ জন, কারাগারে আটককৃত ব্যক্তির আইন সহায়তা প্রাপকের সংখ্যা ৩০ হাজার ৩৬৪ জন, আইনগত সহায়তা প্রাপ্ত নিষ্পত্তিকৃত মোট দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ১৮ হাজার ২৩টি এবং মোট ফৌজদারি মামলার সংখ্যা ৩৪ হাজার ৫০১টি, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার প্রদত্ত আইনগত পরামর্শগ্রহীতার মোট সংখ্যা ১৩ হাজার ৫৩ জন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার পরিচালিত মীমাংসা বা মধ্যস্থতার (এডিআর) মাধ্যমে নিষ্পত্তিকৃত মামলা বা বিরোধের সংখ্যা ১ হাজার ১২৫টি, উপকারভোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৬৭ জন এবং আদায়কৃত অর্থের মোট পরিমাণ ১ কোটি ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৩ শ টাকা, সুপ্রিম কোর্টে জেল আপিল মামলার সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১৪৫০ জন, হটলাইনের মাধ্যমে আইনগত তথ্যসেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৯২৭ জন।

 

মন্ত্রী বলেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে সরকার মামলার জট কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।  

আনিসুল হক বলেন, বিগত ৭ বছরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৭ জন এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৪৭ জন বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি অধঃস্তন আদালতে চার ব্যাচে ৫৮৭ জন সহকারী জজ নিয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ৩৪০ জনকে অতিরিক্ত জেলা জজ হতে জেলা জজ পদে, ২৭৫ জনকে যুগ্ম জেলা জজ হতে অতিরিক্ত জেলা জজ পদে, ৩৪০ জনকে সিনিয়র সহকারী জজ হতে যুগ্ম জেলা পদে ও ৭৬৩ জনকে সহকারী জজ হতে সিনিয়র সহকারী জজ পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, অতি সম্প্রতি ২১৫ জন সিনিয়র সহকারী জজ বা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সমপর্যায়ের বিচারকদের যুগ্ম জেলা জজ বা সমপর্যায়ের পদে পদোন্নতি প্রদান করায় ওই পদগুলো শূন্য হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে নবম জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী জজ বা সমপর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োগের নিমিত্ত ১ শ জন প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্তভাবে নিয়োগের নিমিত্ত তাদের প্রাক-পরিচয় পুলিশের মাধ্যমে যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণারয়ে অনুরোধ জানিয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।  

মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়াও দশম জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে আরো ১১৫ জন সহকারী জজ বা সমপর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন ইতিমধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অতি শিগগিরই ওই শূন্য পদসমূহে বিচারক পদায়ন করা হবে। এ ছাড়া, উচ্চ আদালতে ৪৫টি কর্মকর্তা-কর্মচারী, অধঃস্তন আদালতে ৩৯৭টি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ সৃজন করা হয়েছে।  

আইনমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ২১৪টি সহকারী জজ আদালত সৃজনের প্রস্তাব, ৩৪৬টি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সৃজনের প্রস্তাব এবং ১৯টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।  

তিনি বলেন, এ ছাড়া ৪১টি নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল (সহায়ক কর্মচারীসহ) সৃজনের প্রস্তাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতি গ্রহণের পর বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য