kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পায়রা বন্দরের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে শেষ হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:০৯



পায়রা বন্দরের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে শেষ হবে

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কাজ ২০২৩ সাল নাগাদ শেষ হবে। তবে তিনটি জেটি নির্মাণের কাজ ২০১৮ সালের মধ্যে শেষ হবে।


প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
সরকারি দলের সদস্য আয়েন উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় গৃহীত ও বাস্তবায়িত চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬১৩৪টি বিদ্যালয় (সরকারি-বেসরকারি) ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই একই সময়ে ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯৭টি একাডেমিক/ আবাসিক ভবন, ছাত্রাবাস, ৪০১টি কলেজ (সরকারি-বেসরকারি) এবং ৯১৫টি মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ বা সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ৩ হাজার ২৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ বা সংস্কারের কাজ চলছে।
সরকারি দলের সদস্য মমতাজ বেগমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে দারিদ্রের হার ছিল ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২০ সালের মধ্যে এই হার ৮ দশমিক ৯ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। একই সময়ের মধ্যে রফতানি আয় ৩০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার থেকে ৪০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, আমদানি ৪০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ৭২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন ২৩ হাজার মেগাওয়াট এবং বিদ্যুৎ এলাকার বিস্তৃতি ৯৬ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া বেসরবকারি বিনিয়োগের জন্য ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে।
সরকারি দলের সদস্য ফরিদুল হক খানের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ববাজারে মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৪ দশমিক ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পন্য রফতানি করা হয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল।
সরকারি দলের সদস্য মামুনুর রশিদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী ৭ বছরের বেশি বয়সীদের সাক্ষরতার হার ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ১৫ বছরের বেশি বয়সীদের হার ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ। হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করা হলে এর হার ৭০ শতাংশের বেশি হবে।


মন্তব্য