kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃণিত রাষ্ট্র পাকিস্তান: নৌমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৪:৩৪



বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃণিত রাষ্ট্র পাকিস্তান: নৌমন্ত্রী

পাকিস্তান এ মুহূর্তে বিশ্বের সব চেয়ে ঘৃণিত রাষ্ট্র বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের আহ্বায়ক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান। আজ বুধবার সেগুনবাগিচায় স্বাধীনতা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রস্তাব জাতীয় সংসদে পাস হওয়ায় সংসদকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের জন্য এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
 
শাহজাহান খান বলেন, বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার জন্য পাকিস্তান সারা জীবন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করেছে। বাংলাদেশ আজ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা তো বটেই, বিদেশেও রফতানি করছে। আর পাকিস্তান সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদ রফতানি করছে। সারা বিশ্ব পাকিস্তানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালে আমরা বলেছিলাম, সারা বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে পাকিস্তান। তখন আমাদের কথায় কেউ গুরুত্ব দেয়নি। আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস থেকে বলা হচ্ছে পাকিস্তান সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদের ইন্ধন দিচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
 
বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে শাহজাহান খান বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের পক্ষ থেকে অনেক আগেই আমরা পাকিস্তানের চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের দাবি জানিয়েছিলাম। আজ আবারও এ দাবি উত্থাপন করছি। এ জন্য প্রয়োজনে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলা হোক। সম্প্রতিকালের জঙ্গি হামলার জন্য জামায়াত-বিএনপিকে দায়ী করে শাহজাহান খান বলেন- তারা কৌশল বদল করেছে। হেফজতের সঙ্গে গাটছাড়া বেঁধে কোরআন পুড়িয়ে যখন ধরা খেল, তখন তারা ব্লগারদের হত্যা করল।
 
সেখান থেকে যখন ধরা খেল তখন দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রগতিশীল শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের গুপ্ত হত্যা শুরু করল। সেখান থেকেও যখন ধরা খেল তখন গুলশানের হলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ায় হামলা করল। এসবের বিরুদ্ধেও সরকারকে আরো স্বোচ্চার হতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচারের নেতা ইসমাত কাদির, আলাউদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সুলতানা আহমেদ, আবুল হোসেন মোল্লা, রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ।

 


মন্তব্য