kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'যানবাহনে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বন্ধে জরিমানা পদ্ধতি চালু রয়েছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:২৭



'যানবাহনে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বন্ধে জরিমানা পদ্ধতি চালু রয়েছে'

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়ক ও সেতুর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ, দুর্ঘটনা রোধ এবং যানবাহনে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন নিরুৎসাহিত ও বন্ধে জরিমানা পদ্ধতি চালু রয়েছে।  
তিনি বলেন, যানবাহনে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহণ বন্ধ করা না গেলে সড়ক ও সেতুগুলি সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে না।


আজ রাজধানীর রমনার একটি রেস্টুরেন্টে যানবাহনে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন বন্ধ সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।  
সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসির , সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের সচিব এম এ এন সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও গবেষক শামসুল হক পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার এবং যানবাহন চলাচলের আইন ও অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন সহ সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এতে তিনি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ভূটানের যানবাহনের কাঠামোসহ বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।  
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে হলে ফিটনেসবিহিন যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে। যানবাহনে অতিরিক্ত মালামাল বহন বন্ধ করতে না পারলে সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেঘনা ও গোমতী সেতুর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত পণ্যবাহী যান চলাচল করলে এই সেতু রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, পরিমাণের চেয়ে যানবাহনগুলি কয়েকগুণ বেশি পণ্য পরিবহন করে থাকে। তা বন্ধ করতেই বর্তমানে জরিমানা পদ্ধতি চালু রয়েছে। আমরা চাই দেশ ও জনগণের স্বার্থে যানবাহনে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন বন্ধ হোক ।
সভায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান সাম্প্রতিক চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক ধর্মঘট সম্পর্কে বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আলাপ-আলোচনা ছাড়া বন্দরগুলোতে যাতে কোনো ধর্মঘট না হয় সে জন্য সকলের সমন্বয়ে একটি কমিটি থাকা উচিত।
সভায় পরিবহণ মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিগণ তাদের মতামত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
পরে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে পরিবহন মালিক-শ্রমিক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ২০ সদস্যের একটি কমিটি করার প্রস্তাব গৃহীত হয়।  
এ কমিটি আগামী ১৩ অক্টোবর পরবর্তী বৈঠক করে যানবাহনে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন ও জরিমানা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


মন্তব্য