kalerkantho


'খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এফএওকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৫৪



'খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এফএওকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে'

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থাকে (এফএও) দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।  
তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের জন্য ফুড সিকিউরিটি এবং নিউট্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে বিশ^কে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যেই থাকে। মুক্ত বাণিজ্যে সময়পযোগি ট্রেড পলিসি এবং ট্রেড এগ্রিমেন্ড ফুড সিকিউরিটি এবং নিউটেশন-এর জন্য জরুরি।  
ইতালি সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী সোমবার রাতে রোমে এফএও’র হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর ৭১তম সেশনে ৪র্থ মিনিস্টিরিয়াল কনফারেন্সে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ঢাকা প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।  
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের খাদ্যের অভাব ছিল। এখন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যের অভাব নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অভ্যন্তরিন চাহিদা পূরণ করে এখন খাদ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। সময়পযোগি খাদ্যনীতি গ্রহণ ও সঠিকভাবে তা বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্ন। খাদ্য পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশে^র মধ্যে মডেল।  
সমাপনি অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে এফএও’র ডিডিজি মারিয়া হেলেনা সেমিডো, সিএপিই-এর চেয়ারপারসন মেরিনা লাউরা দা রোচা, এফএও’ এডিজি কোসটাস স্টামুলিস উপস্থিত ছিলেন।  
তোফায়েল আহমেদ বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলায় গৃহীত সিদ্ধান্ত সমুহ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কৃষি পণ্যের নিউট্রেশন নিশ্চিত করতে হবে। ভোক্তাদের চাহিদা এবং রুচিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।  
বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্ন হওয়ার ইতিহাস তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উৎপাদিত খাদ্যপণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করা না হলে বিশ্বখাদ্য উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
তোফায়েল আহমেদ সম্মেলনের অর্জন সভায় বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেন। সম্মেলনে প্রায় বিশটি দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুন্নতা অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।  
রোমে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহাস শিকদার এবং ইকনোমিক কাউন্সিলর ড. মো. মফিজুর রহমান বাণিজ্যমন্ত্রীকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।


মন্তব্য