kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'জাপানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরো বেশী বিনিয়োগে আগ্রহী'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:৩৭



'জাপানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরো বেশী বিনিয়োগে আগ্রহী'

জাপানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরো বেশী বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সংসদ কাজে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। আজ সোমবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ সরকার এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরকালে দু’দেশের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা ও চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপানি বিনিয়োগের জন্য একটি ‘টাস্ক ফোর্স’ গঠন করা হয়েছে। উক্ত ‘টাস্ক ফোর্স’ এর আওতায় ইতিমধ্যে ৩টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, দেশের শিল্পখাত বিকাশের লক্ষে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মূলত: সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। এর অংশ হিসেবে বিনিয়োগ প্রসার ও প্রচারের লক্ষে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশে বিনিয়োগ প্রচারের লক্ষে সভা, সেমিনার আয়োজন ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত নিউজ লেটার, ব্রশিউর মুদ্রণ।  

তিনি আরো জানান, জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য এক্সক্লুসিভ ইকোনমিকস জোন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় জাপান সরকার জাইকার মাধ্যমে ঢাকার সন্নিকটে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য প্রাক সম্ভাব্যতা জরিপ এবং প্রাথমিকভাবে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় জমি নির্বাচন করেছে। গাজীপুর জেলার নয়নপুর এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব বেপজা গবর্নিং বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছে। জাপানি বিনিয়োগকারীরা প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশে অন্তত পক্ষে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করবে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ১৯৯৬ সাল থেকে চলমান আছে। কর্মসূচির আওতায় সমতলের গারো, হাজং, রাখাইন, সাঁওতাল, ওঁরাও, মনিপুরি, মাহাতো, বর্মন, কোচ, মুন্ডা, কোল, পাহাড়ি, মালপাহাড়ি, মুরারি, ডালু, মালো, তুরি, বরাইক, রাজবংশী, পাহান, রাই, বুনো, রাজোয়ার, লহোরা ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়।  

তিনি আরো জানান, গত ২০১০-১১ অর্থবছর হতে উক্ত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য বৃহৎ আকারের আয়বর্ধনমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত ৫টি অর্থবছরে ২৫০ উপজেলায় ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৩৯৪টি আয়বর্ধনমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।


মন্তব্য