kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাংলাদেশ জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:০৮



বাংলাদেশ জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, বিশ্বে এ পর্যন্ত মোট ৮৮টি দেশে জিকা ভাইরাস আছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ এশিয়ার সবক’টি দেশই জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তবে বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ মুক্ত রয়েছে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এ পর্যন্ত ১৯ জন বাংলাদেশির শরীরে জিকা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে তারা সিঙ্গাপুর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণপূর্বক সুস্থ্য হয়ে স্ব স্ব কর্মস্থলে কাজ করছে বলে জানা গেছে। আর দেশে কোন অবস্থাতেই যাতে জিকা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য স্থল, নৌ ও বিমান বন্দরে জিকা ভাইরাস সনাক্তের জন্য সার্ভিলেন্স জোরদারে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি মধ্য আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং বাংলাদেশের পাশ্ববর্তী এশিয়ান দেশ সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে ক্রমবর্ধমানভাবে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ না থাকলেও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় এবং এদেশে এডিস মশার অস্তিত্ব থাকায় বাংলাদেশেও ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধি ২০০৫ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকারি হিসেবে বর্তমানে দেশে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৪ হাজার ১৪৩ জন। যার মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৬৫৮জন। চিকিৎসা সেবা ও এইচআইভি সনাক্তকরণ কার্যক্রম সরকারি ১২টি হাসপাতালের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে ৪টি সরকারি হাসপাতাল হতে এইডস আক্রান্ত রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্য আবদুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম জানান, বাংলাদেশ ওষুধ আমদানিকারক দেশের পরিবর্তে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে। দেশের চাহিদার শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগেরও বেশী ওষুধ বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। বর্তমানে দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বেও ১২৫টি দেশে রপ্তানি হয়ে আসছে।


মন্তব্য