kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পুলিশের কাছ থেকে আসামির পলায়ন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৫৩



পুলিশের কাছ থেকে আসামির পলায়ন

গুলি ছুড়েও ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তার আসামির পালানো ঠেকাতে পারেনি পুলিশ। আজ সোমবার সন্ধ্যায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার আয়াপুর গ্রাম থেকে পালিয়ে যায়।

এ সময় পুলিশ তিনটি গুলি ছুড়েও তাঁকে ধরতে পারেনি।
পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম আজাদুর রহমান ওরফে টোকন (৩২)। আজাদুর ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার মকিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ছিনতাইয়ের সময় আজাদুরসহ তিনজনকে গণপিটুনি দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ পাহারায় তিনজনকে বাঘারপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যে আজাদুরের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বাঘারপাড়া থানার পুলিশের চার সদস্যের হেফাজতে আজাদুরকে একটি ইজিবাইকে নিয়ে যশোরে পাঠানো হয়। পথে আয়াপুর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের হাত থেকে কৌশলে সে পালিয়ে যায়।

বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছয়রুদ্দীন আহম্মদ বলেন, চারজন পুলিশ সদস্যের হেফাজতে আসামি আজাদুরকে যশোরে পাঠানো হয়। আয়াপুর এলাকায় পৌঁছালে আজাদুর প্রস্রাব করার কথা বলে ইজিবাইক থামান। এ সময় সে পাশের বিলের মধ্যে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তিনটি গুলি ছুড়েও পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। আজাদুরের ছবিসহ সব থানা ও ফাঁড়িতে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, আজাদুর ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ২০০৬ সালের ২৪ মার্চ যশোর র‌্যাব-৬ তাকে অস্ত্রসহ আটক করে। এ মামলায় তার ১০ বছর সাজা হয়। এরপর থেকে আজাদুর পালাতক ছিলেন।
উল্লেখ্য, রবিবার তিন ছিনতাইকারীকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি মোটরসাইকেল, ছিনতাই করা টাকা ও একটি রিভলবার।  
তিন ছিনতাইকারী হলো: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের খলিলুর রহমান (২৭), একই গ্রামের আজাদুর রহমান খান (৩২) ও শৈলকুপা উপজেলার ভাটই বড় কুলচারা গ্রামের নূর আলম (২৫)।


মন্তব্য