kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে হাইতির ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:০৯



বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে হাইতির ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, হাইতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী দক্ষতা ও সুনামের সাথে কাজ করছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।

বেশ কিছু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশের এ সকল স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিনিয়োগ করছেন বলে আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে হামিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ এবং হাইতির ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কস অথরিটির মহাপরিচালক ফিলিপ কার্ল ডেব্রোস-এর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  
বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের হামিম গ্রুপ হাইতিতে তৈরিপোশাক খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাইতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত তৈরিপোশাক রপ্তানি করতে পারে। এ জন্য বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ লাভজনক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ গত বছর হাইতিতে ১ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তামাক ও তামাকজাত পণ্য, প্লাস্টিক, বৈদ্যুতিক সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করেছে। তিনি বলেন, সফররত হাইতির ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সার্বিক উন্ননে মুগ্ধ। তারা হাইতির শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও দক্ষতার প্রশংসা করেন।  
প্রতিনিধি দলের প্রধান বলেন, বিনিয়োগের জন্য হাইতিতে জমি, বিদ্যুৎ, দক্ষ শ্রমিকসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। হাইতি সরকার বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সবধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। বাংলাদেশ তৈরিপোশাক খাতে ব্যাপক উন্নতি করেছে। এ সেক্টরে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা অনেক। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা হাইতিতে তৈরিপোশাক খাতে বিনিয়োগ করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, হাইতির ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কস অথরিটির কনসালট্যান্ট জোসেফ পিয়েরি লিওনেল ডিলেটর, হাইতি এসোসিয়েশন অভ্ ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট জর্জ বাড়াউ সাসিন, হামিম গ্রুপের কনসালট্যান্ট এস জেড এম শরিফুল ইসলাম এবং নির্বাহী পরিচালক মোফাখখেরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য