kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাঠগড়ায় নূর হোসেনকে চপেটাঘাত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:০১



কাঠগড়ায় নূর হোসেনকে চপেটাঘাত

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে কাঠগড়ায় চপেটাঘাত করেছে অপর আসামি হাবিলদার এমদাদুল হক। এ ঘটনার জের ধরে নূর হোসেনের সহযোগী আলী মোহাম্মদ, দেহরক্ষী মোস্তফা জামান চার্চিলসহ বেশ কয়েকজন আসামি হাবিলদার এমদাদকে কাঠগড়াতেই মারধর করে।


শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মণ্ডলকে আসামি পক্ষের আইনজীবীদের জেরার দ্বিতীয় দিনে মধ্যাহ্নবিরতির সময় এ ঘটনা ঘটে। মামলার আগের তারিখগুলোতে অসুস্থতার অজুহাতে নূর হোসেনকে কাঠগড়ার বাইরে রাখা হয়েছিল।
বিচারক তার আইনজীবীর প্রার্থনা নামঞ্জুর করে তাকে কাঠগড়ায় অন্য আসামিদের সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেন।  
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মণ্ডল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ছিলেন। বর্তমানে তিনি জেলার বিশেষ শাখার পরিদর্শক পদে কর্মরত। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত প্রথম দফায় একটানা তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। এরপর এক ঘণ্টার মধ্যাহ্নবিরতি দেওয়া হলে খাবার নিয়ে ওই ঘটনা ঘটে। বিকেল পৌনে ৩টায় আবার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শুরু করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। বিকেল পৌনে ৫টায় জেরা শেষ হয়।
শনিবার মেজর (অব.) আরিফ হোসেনের আইনজীবী আবদুর রশিদ ভূঁইয়া জেরা শেষ করার পর মামলার অন্যতম আসামি লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদের আইনজীবী সুলতান উজ জামান ও শাহাবুদ্দিন তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন। তবে শনিবার তারেক সাঈদের আইনজীবীরা জেরা শেষ করতে পারেননি। বিচারক মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মধ্যাহ্নবিরতির সময় বিচারকের নির্দেশে আদালতের এজলাসের ভেতরেই আসামিদের খাবার সরবরাহ করা হয়। নূর হোসেনের আইনজীবী ২৩ প্যাকেট বিরিয়ানির ব্যবস্থা করেন। হাবিলদার এমদাদুল হক ২ প্যাকেট বিরিয়ানি নিজের কাছে রাখায় একজনের খাবার কম পড়ে। ওই সময় নূর হোসেন হাবিলদার এমদাদুল হকের কাছে ২ প্যাকেট খাবার নেওয়ার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্ক বেধে যায়। এক পর্যায়ে এমদাদ নূর হোসেনকে চড় মারেন। পরে নূর হোসেনের সহযোগী আসামিরা এমদাদুল হককে মারধর শুরু করে। তখন পুলিশ তাদের নিভৃত করে।


মন্তব্য