kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:২৩



বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত

বিমান সংযোগের দিক থেকে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।
এ উপলক্ষে আজ বুধবার সকালে বাংলাদেশ বেসরমারিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) জাপানের নিপ্পন কোয়েই কম্পানি লিমিটেডের (এনকেসিএল) সঙ্গে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।


এই বিমানবন্দরটি হবে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
রাজধানীর কুর্মিটোলায় সিএএবি’র প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংস্থার চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরী ও এনকেসিএল’র উপ-মহাপরিচালক তশিকাজু কাম্বারা।
চুক্তি অনুযায়ী, এনকেসিএল দেড় বছরের মধ্যে স্থান নির্বাচন ও মাস্টার প্ল্যানসহ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সমীক্ষা চালাবে। এই কাজে সিএএবি তার নিজস্ব তহবিল থেকে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে।
অনুষ্ঠানে সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক বিমান সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।
সিএএবি সূত্র জানায়, এই বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে ৮/৯টি স্থান বিবেচনা করা হবে। পরে সবচেয়ে উপযুক্ত স্থানটি চূড়ান্ত করা হবে।
প্রায় ১৪ আন্তর্জাতিক কোম্পানি সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা কাজের জন্য দরপত্র জমা দেয়। কিন্তু এই কাজে সেরা হিসেবে এনকেসিএল-কে নির্বাচন করা হয়।
সূত্র জানায়, আকাশ পথে যাতায়াতে বাংলাদেশে যাত্রী সংখ্যা ক্রমশ বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় বর্তমানে এখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই।
দেশের প্রধান বিমাবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একক রানওয়ের মাধ্যমে বছরে ৮০ লাখের মতো যাত্রী সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু বিমানবন্দরের পাশে আবাসিক ভবন থাকায় এর সম্প্রসারণ কার্যক্রমও সম্ভব হচ্ছে না।
সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ ছাড়াও সরকার ১২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরে উন্নয়ন কাজ এবং বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নামে আরেকটি বিমানবন্দর নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
অন্যদিকে, আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
এ ছাড়া সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।


মন্তব্য