kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

দেশে কেন থামানো যাচ্ছে না ইভটিজিং

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৩



দেশে কেন থামানো যাচ্ছে না ইভটিজিং

বাংলাদেশে কিছুদিন আগেই উত্ত্যক্তকারীর ছুরিকাঘাতে ঢাকার উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের এক ছাত্রী নিহত হবার পর, গতকাল মাদারীপুরে এক স্কুলছাত্রীকে একইভাবে হত্যা করা হয়। ইভটিজিং বন্ধে বাংলাদেশে কয়েক বছর ধরে চলছে নানা রকম সচেতনতামূলক প্রচারণা।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এ ধরনের ঘটনায় শান্তির বিধানও রয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন থামানো যাচ্ছে না ইভটিজিং?

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলছেন, ইভটিজিং বা যৌন নিপীড়নের ঘটনা বন্ধে যে ধরনের আইন রয়েছে, তার প্রয়োগ হচ্ছে না। ফলে অভিযুক্তদের শাস্তি হয় না, এবং অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধীরা একটি বার্তা পায় যে অন্যায় করেও পার পেয়ে যাওয়া যায়। আর এ কারণেই ইভটিজিং থামছে না। মিতু হত্যার ঘটনা বা তনুর হত্যার ঘটনায় আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

সংস্থাটির সভাপতি বলছেন, বিষয়টি নিয়ে তনুর মায়ের প্রশ্ন আছে, নাগরিক সমাজেরও প্রশ্ন আছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিকতা, দায়বদ্ধতা এবং জেন্ডার সংবেদনশীল হবার প্রয়োজন আছে। এবং সবারই আরো দায়বদ্ধ আচরণ করা প্রয়োজন। মিসেস খানম বলছেন, সমাজের সব স্তরেই এ জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারগুলোকেও সন্তানদের এ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া ও সচেতন করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইভটিজিং এর ঘটনায় পরপর দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক হিসেব অনুযায়ী এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত হিসেবে দেখা যাচ্ছে, এ সময়ের মধ্যে সারা দেশে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ১৪৮ জন। এর মধ্যে ইভটিজিং এর ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ৫৭ জন আহত হয়েছেন। এ জন্য স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়েছে অন্তত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর।

 


মন্তব্য