kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সম্ভ্যাব্যতা যাচাইয়ের পরামর্শ সংসদীয় কমিটির

সোনালী আঁশের হারানো দিন ফেরাবে ‘পাট প্রযুক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:০৯



সোনালী আঁশের হারানো দিন ফেরাবে ‘পাট প্রযুক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট’

সোনালি আঁশ খ্যাত পাটের হারানো দিন ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নতুন পাট নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

এই নীতির খসড়ায় পাট শিল্পের উন্নয়নে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ ও নতুন ডিজাইন উদ্ভাবনে গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অর্জনে জোর দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে পাটপণ্য উৎপাদন ও প্রযুক্তির উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি ‘পাটপণ্য ও পাট প্রযুক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবতা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ রবিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। এতে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, ড. মো. এনামুর রহমান ও কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৈঠকে দেশে-বিদেশে প্রতিযোগিতা সক্ষম শক্তিশালী পাট খাত প্রতিষ্ঠার দূরদৃষ্টি নিয়ে পাট অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘পাটনীতি ২০১৬’ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটি বর্তমান বিশ্বে পরিবেশবান্ধব বস্তু‘ হিসেবে আবারো পাটের ব্যাপক সম্ভাবনার কারণে পাট শিল্পের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকারের অঙ্গীকার ও পরিকল্পনা পাট নীতিতে প্রতিফলনের সুপারিশ করে। পাশাপাশি একটি পরিপূর্ণ ডিজাইন ও উন্নয়ন ইনস্টিটিউট স্থাপনের মাধ্যমে পাট খাতে নতুন নতুন ধারনার উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং পাটপণ্য ও বহুমুখি পাটপণ্যের উৎপাদন ও উন্নয়নের গবেষণা কার্যক্রমে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করার পাশাপাশি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে পাট উৎপাদনের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ফলপ্রসূ আলোচনা ও বিষয়টির হালনাগাদ অগ্রগতি সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। এছাড়া বৈঠকে রেশম চাষের বিষয়ে ‘একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প’ এবং রেশম বোর্ডের  ২০১৬-২০১৭ সালের কর্ম পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়। কমিটির সদস্যরা প্রকল্পের সঙ্গে তুঁত চাষ সমন্বয় কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, রেশম খাতে বর্তমান অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবন ও অভিযোগ প্রতিকারের মাধ্যমে সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।


মন্তব্য