kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান অক্ষত

কক্সবাজারে মেঘনা গ্রুপের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার    

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৫০



কক্সবাজারে মেঘনা গ্রুপের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১

কক্সবাজারে আজ শুক্রবার সকালে যাত্রীবাহী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পাইলটসহ আরো চারজন।

নিহত ব্যক্তির নাম শাহ আলম (৩২)। তিনি ঢাকার বাসিন্দা।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের রেজুখালের উখিয়া উপজেলার সোনারপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারটি মেঘনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান মেঘনা এভিয়েশনের।

দুর্ঘটনার আগে হেলিকপ্টারটিতে করেই বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান রাজধানী ঢাকা থেকে কক্সবাজারের ইনানী সৈকতের হোটেল রয়েল টিউলিপে ওঠেন। হেলিকপ্টারটি ওই হোটেলের নিজস্ব হেলিপ্যাডে অবতরণ করে নামিয়ে দেয় ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানকে। পরে রাজধানী ঢাকায় ফিরতি যাত্রায় হেলিকপ্টারটিতে ওঠেন আরো চার যাত্রী।

মেঘনা গ্রপের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম কক্সবাজারে সাংবাদিকেদর জানান, শাহ আলম হেলিকপ্টারে উঠে পাইলটের পাশের আসনে বসেন। তিনি পাইলটের বারবার নিষেধ উপেক্ষা করে জানালা খুলে ভিডিওতে মনোযোগী হয়ে পড়েন। ফলে বাতাসের ভারসাম্য রাখতে না পেরে কপ্টারটি নিচে খালে পড়ে যায়। তবে খালের যে অংশে কপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে স্বল্প পানি থাকায় এবং জায়গাটি বালুচর হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি এড়ানো গেছে বলে মনে করছেন মেঘনা গ্রুপের এই পদস্থ কর্মকর্তাসহ এলাকার লোকজন।

ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী উখিয়া উপজেলার ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আরিফ কালের কণ্ঠকে বলেন, "শুনেছি কোনো একটি বিজ্ঞাপনের কাজে ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান ইনানী সৈকতের হোটেলটিতে উঠেছেন। কপ্টারটি রাজধানী ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সময় যে চারজন যাত্রী নিয়ে উড়াল দেয় তাদের নিয়েই রেজুখালে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেজু ব্রিজের পাশে থাকা বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের তল্লাশিচৌকির সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে যান। এ সময় খালে মাছ ধরারত জেলেরাও ছুটে আসেন উদ্ধারে।

উদ্ধারকর্মীরা পাইলটসহ আহতদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠায়। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত যাত্রী শাহ আলমকে (৩২) কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কপ্টারের পাইলট শফিকুল হক সামান্য আহত হয়েছেন। সামান্য আহত অপর যাত্রী একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম ও তার দুই ছেলেকে দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মীরা চিকিৎসার জন্য একটি যানবাহনে তুলে দেয়। পরে তারা কোথায় গেছেন- সে বিষয়ে আর কিছু জানা যায়নি।

 


মন্তব্য