kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৫১



কাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আগামীকাল বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হবে। নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে ১৯৬৫ সালে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীদের বিশ্ব কংগ্রেসের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে।


তেহরান সুপারিশের প্রেক্ষিতে ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষারতা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়।
এ বছর দিবসটির বৈশ্বি প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘একুশ শতাব্দীর জন্য শিক্ষা’।
বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ছাড়াও বাংলাদেশে ‘অতীতকে জানব, আগামীকে গড়ব’ প্রতিপাদ্যে দিবসটি উদযাপিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বাংলাদেশ বেতার অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। তাছাড়া ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ ডট বেতার ডট গভ ডট বিডিতে অনুষ্ঠানটি শুনা যাবে।
যথাযথ আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি উদযাপনের জন্য বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সকাল সাতটায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হবে।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে আজ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর বানীতে বলেন, সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সকলের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, সাক্ষরতা অর্জনের মাধ্যমে শুধু লেখাপড়া নয়, মানুষের জ্ঞান সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, যা সুস্থ সমাজ ও উন্নত দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি দল-মত-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রয়াস গ্রহণের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে দেশের সকল মানুষকে মানবসম্পদে পরিণত করতে দেশে শতভাগ শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে একযোগে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান প্রদানের পাশাপাশি রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে তাদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনসম্পদে পরিণত করতে হবে।
তাঁর নেতৃত্বোধীন সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার হার ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা সাড়ে সাত বছর আগে ছিল ৪৫ শতাংশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার আইসিটি ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপের মাধ্যমে এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনও শিক্ষা খাতের বিষয়ে এসডিজির লক্ষ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে এ দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।
এখানে ইউএনআইসি-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘ প্রধান বলেছেন, ‘বৈশ্বিক সুবিধাদির জন্য এসডিজির লক্ষ্য সকলের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও জ্ঞানের সুযোগ তৈরি। ’
দিবসটি উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান তার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার শিক্ষাখাতে অনেকগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে- সকলের জন্য শিক্ষা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করা।


মন্তব্য