kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর আবদুর রহিমের দাফন সম্পূর্ণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:২৭



বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর আবদুর রহিমের দাফন সম্পূর্ণ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও মুজিব নগর সরকারের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য এম আব্দুর রহিমের লাশ আজ সোমবার তার পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
দুপুরে দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড়ময়দানে তাঁর নামাজে জানাজা শেষে সদর উপজেলার জালালপুর গ্রামের নিজ বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

 
জানাজায় অংশগ্রহন করেন মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এ্যাডকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মোঃ হামিদুল আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ।
এর আগে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিদ্দিক গজনবীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। পরে দুপুর ২টায় সদর উপজেলার ৮নং শংকরপুর ইউনিয়নের পাঁচকুড় ঈদগাহ মাঠে শেষ নামাজে জানাযার পর নিজ গ্রাম জালালপুরে পারিবারিক গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
রোববার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন আবদুর রহিম।  
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ৪ কন্যাসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে এম এনায়েতুর রহিম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি এবং ছোট ছেলে বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম।
এর আগে রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর মরদেহ দিনাজপুর শহরের নিজ বাসভবন মুন্সিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।  


মন্তব্য